এখনো রিয়ালেই থাকতে চান বেল

46
শেয়ার

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ফেরার সম্ভাবনা নাকচ করে দিলেন রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার গ্যারেথ বেল। এ কথায় আপাতত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে তার নাম লেখানোর গুজব থামবে।

চার মৌসুমে নামের পাশে তিন তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। বেল নিজেই অভিভূত, ‘চার বছরে তিন শিরোপা (চ্যাম্পিয়ন্স লিগ), খুব কম মানুষই এটা বলতে পারে।’ ২০১৩ সালে টটেনহাম থেকে রিয়ালে নাম লেখানোর সময় নিশ্চয়ই এতটা পাওয়ার কথা ভাবেননি ওয়েলস জাতীয় দলের অধিনায়ক। কিন্তু চার মৌসুমে তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও একটি লা লিগা শিরোপা যোগ করতে সমর্থ হলেন নিজের নামের পাশে।

শনিবার নিজ শহর কার্ডিফে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শুরু থেকে খেলতে পারেননি বেল। ৭৭ মিনিটে নেমেছিলেন করিম বেনজেমার বদলি হিসেবে। তাতেই গুজবের পালে লাগে জোর হাওয়া। বলা হয়, ম্যানইউতে ফিরতে পারেন তিনি। আবার ম্যাচ শষে রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদানও তার ভবিষ্যত্ নিয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। বলেছেন, বিষয়টির মীমাংসা হবে মৌসুমের একেবারে শেষ মুহূর্তে।

ম্যানইউর মতো ক্লাবের কি তাকে ইংল্যান্ডে ফিরিয়ে আনার আশা আছে? এমন প্রশ্নে বেলের জবাব, ‘আমি মাদ্রিদেই সুখে আছি। আমরা শিরোপা জিতছি এবং সবকিছুতে আমি খুশি।’ রিয়ালেই নিজের ভবিষ্যত্ দেখেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে বেল, ‘হ্যাঁ। আমি মাদ্রিদে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে সই করেছি। আমার পরিবার ও আমি দারুণ সুখী। তাই আমরা যা করছি সেভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।’

সম্প্রতি গোঁড়ালির ইনজুরি থেকে ফিরেছেন বেল এবং এপ্রিলের পর কোনো ম্যাচে শুরু থেকে নামা হয়নি তার। তাই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে তার বেঞ্চে বসে থাকাটা কারো কাছেই বিস্ময়ের ঠেকেনি। তার জায়গায় ইস্কোকেই বেছে নেন জিদান। রোববার বেল টুইটারে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছেন, ‘আমি তো সবে শুরু করলাম।’ এটা দিয়ে তিনি বুঝিয়েছেন, ইনজুরি থেকে সদ্যই ফেরার পর নতুন করে শুরু করেছেন।

বেলকে নিয়ে জিদানের জবাব অবশ্য এ খেলোয়াড়ের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়, যিনি গত অক্টোবরে নতুন চুক্তিতে সই করেছেন। লস ব্লাঙ্কোসদের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত। জিদান বলেন, ‘এ মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হলো সে আমাদের সঙ্গেই আছে। ফাইনালে ওঠা তার জন্যও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমি মনে করি, আমার বাছাই করা একাদশ সঠিকই ছিল। তবে সে যে কিছুটা সময় খেলতে পেরেছে তাতে আমি খুশি। সবচেয়ে বড় কথা সে ঘরের মাঠে খেলেছে। এখন সময় হলো শিরোপা উদযাপনের।’

২০১৩ সালে ১০০ মিলিয়ন ইউরোয় স্পার্সদের কাছ থেকে বেলকে কিনে নেয় রিয়াল, যা ওই সময় ট্রান্সফারের নতুন বিশ্বরেকর্ডের জন্ম দেয়। তিন বছর পর ২০১৬ সালের গ্রীষ্মে জুভেন্টাসের কাছ থেকে পল পগবাকে ১০৫ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনে সেই রেকর্ড ভেঙে দেয় ম্যানইউ।

মন্তব্য করুন

comments