ভাগ্নিকে তিন বছর ধরে ধর্ষণ ; খালু গ্রেফতার

148
শেয়ার

লক্ষ্মীপুরে গত তিন বছর ধরে আটকে রেখে কলেজছাত্রী ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে খালু জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। ১১ আগস্ট (শুক্রবার) দুপুরে পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকার একটি বাসা থেকে স্থানীয়রা জাহাঙ্গীরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীকে ও উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে পৌরসভার দক্ষিণ মজুপুর এলাকার একটি বাসা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক ও কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

আটক জাহাঙ্গীর আলম সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বালাইশপুর গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। মেয়েটি ঢাকার একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর অভিযোগ, গত তিন বছর ধরে ঢাকার বাসায় আটকে রেখে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে আসছিলো জাহাঙ্গীর আলম। পরে বিয়ের প্রলোভান দিয়ে লক্ষ্মীপুরে তার নিকট আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে আসে তাকে।এ ঘটনায় খালুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০১৫ সালে জাহাঙ্গীর আলমের ঢাকার বাসায় বেড়াতে যায় তার ভায়রার মেয়ে। এসময় তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত খালু জাহাঙ্গীর। দীর্ঘদিন ওই বাসায় কৌশলে আটকিয়ে ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করতে থাকে। পরে বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ মজুপুর এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িয়ে নিয়ে আসেন খালু জাহাঙ্গীর আলম। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন তাদের দুইজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।এ সময় ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে ওই মেয়েকে বিয়ে করতে রাজী হয় জাহাঙ্গীর আলম।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন জানান, মেয়েটিকে উদ্ধার করে খালু জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

মন্তব্য করুন

comments