ঝগড়া থেকেই খুন, আদালতে ফরহাদের স্বীকারোক্তি

124

দোকানে বসা নিয়ে সৃষ্ট ঝগড়া রূপ নেয় হাতাহাতিতে। এরপর ঘটনা মারামারিতে রূপ নিয়ে মারধরের শিকার হন আসামি ফরহাদ। পরে এই মারধরের প্রতিশোধ নিতেই শাহাদাতকে ছুরিকাঘাত করে সে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেম মোহাম্মদ নোমানের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমনই তথ্য দেন বন্ধুকে খুনে অভিযুক্ত ফরহাদ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বায়েজিদ বোস্তামি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসিম আহমেদ বলেন, ‘শাহাদাত হত্যা মামলার আসামি ফরহাদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। খুনের ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে জবানবন্দিতে।’

তার আগে খুনের পর পালিয়ে থাকা ছেলে ফরহাদকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তার মা ফাতেমা রহমান ময়না।বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মায়ের সহায়তায় কর্ণফুলী থানাধীন চরপাথরঘাটা এলাকা থেকে ফরহাদকে গ্রেফতার করে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ।

ফাতেমা রহমান ময়না ষোলশহর ৭নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অভিযুক্ত ফরহাদের মা ফাতেমা রহমান ময়না বলেন, আমার ছেলে তার বন্ধুকে খুন করেছে আমি জানতাম না। বিকেলে ফরহাদ আমাকে ফোন করে জানায়- সে শাহাদাতকে ছুরিকাঘাত করেছে। পরে সে চরপাথরঘাটা এলাকায় পালিয়ে যায়। আমি নিজেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমার ছেলে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। বুঝে হোক আর না বুঝে হোক, আমার ছেলে যা করেছে সেটা খারাপ কাজ। সে কীভাবে আরেকজনকে খুন করে! তাকে তার কাজের শাস্তি পাওয়া উচিত।

উল্লেখ্য, বায়েজিদ বোস্তামি থানার হিলভিউ আবাসিক এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত হন শাহাদাত হোসেন (২২)।হত্যার শিকার শাহাদাত হোসেনের বাবার নাম আবদুল হালিম। শাহাদাত পেশায় প্রাইভেট কার চালক বলে জানায় স্থানীয়রা।

মন্তব্য করুন

comments