কর্ণফুলী টানেলের ২৪% কাজ সম্পন্নঃ সেতুমন্ত্রী

44
শেয়ার

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছেন সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

গতকাল শনিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে টানেল নির্মাণের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কর্ণফুলীর তলদেশে এই টানেল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে চট্টগ্রাম ছাড়াও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ইতিমধ্যে টানেলের ২৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘চীনের অর্থায়নে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলমান এই টানেলের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।’

ওবায়দুল কাদের জানান, এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে সংযুক্তিসহ সাতটি উদ্দেশ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে এবং চীনের আর্থিক সহায়তায় টানেলটি নির্মিত হচ্ছে। এই টানেলের ভিতর দিয়ে চার লেনের সড়কের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরীর সাথে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা সরাসরি সংযুক্ত হবে। মূলত টানেলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরীর বিস্তৃতি ঘটবে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দুটি টিউবে ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ মূল টানেল হবে। টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ রোড এবং ৭২৭ মিটার ওভারব্রিজ আনোয়ারা উপজেলাকে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।’

টানেল নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন টানেল নির্মাণ কাজের প্রকল্প পরিচালক ড. অনুপম সাহা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর থেকে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের মূল কাজ শুরু হয়। এর আগে ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।চার লেইনের তিন দশমিক চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ টানেল হবে দুই টিউব সম্বলিত। পূর্ব পশ্চিম প্রান্তে হবে পাঁচ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক। টানেল নির্মাণের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৪৪৬ দশমিক ৬৪ কোটি টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। ২০২২ সালের মধ্যে প্রকল্পের শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্তব্য করুন

comments