সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেসব সামাজিক মাধ্যম তার এজেন্ডা সমর্থন করে না সেসব প্রতিষ্ঠানকে তিনি এই হুমকি দেন। টুইটারের কাছে থেকে ফেক্ট-চেক নোটিশ পাওয়ার একদিন পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হুমকি দিলেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংস্থাগুলোর ওপর একটি নির্বাহী আদেশে সই করবেন বলে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মার্কিন নির্বাচন নিয়ে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি টুইটারের সঙ্গে বিরোধ শুরু হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ট্রাম্পের একটি পোস্টকে টুইটার বিভ্রান্তিকর তথ্য বলে ট্রাম্পকে সতর্ক করে দেয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পর্কিত নতুন এই নির্বাহী আদেশে কি বলা হবে সেটি এখনো নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে টুইটারের সঙ্গে ওই বিরোধের জেরে নির্বাহী আদেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ হলে বাস্তবায়নে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের হুমকির পরই টুইটার ও ফেসবুকের শেয়ারের দর পড়ে যায়।

এর আগে আরেক টুইটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ‘কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের’ কথা বলেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজনে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেন। ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘রিপাবলিকানরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আসলে রক্ষণশীলদের চুপ করিয়ে দিতে চায়’ এবং তিনি তা হতে দেবেন না।

তবে ট্রাম্পের হুমকি ধমকির পর টুইটারের প্রধান নির্বাহী জ্যাক ডরসে জানিয়েছেন, ‘বিশ্বব্যাপী নির্বাচন সম্পর্কে ভুল বা বিতর্কিত তথ্য খুঁজে বের করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে টুইটার।’

ডাকযোগে ভোটের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইটারের মতোই ফেসবুকে একইরকম একটি পোস্ট দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এরপর বুধবার ফক্স নিউজের সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফেসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গ বলেন, ‘অনলাইনে লোকে যা বলে তার সত্যতা খোঁজার দায়িত্ব ফেসবুকের নয়।’

মন্তব্য করুন

comments