পরিবহন শ্রমিকদের ঈদের বেতন-বোনাস ১৫ রমজানের মধ্যে পরিশোধ করুন: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

করোনার মহামারীতে কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের এই মুর্হুতে নিয়োগ ও কর্মঘন্টার চেয়েও নূন্যতম খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকার অধিকার দিতে পরিবহন মালিক ও সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

আজ মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ আহবান জানান।

তিনি বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের কাঠামোগত মজুরির পরিবর্তে গণপরিবহন মালিকগণ দৈনিক ইজারার ভিত্তিতে বাস, হিউম্যান হলার, টেম্পু, অটোরিক্সা প্রভৃতি যানবাহন চালকদের হাতে তুলে দেন। আমাদের দেশে একজন চালক রাস্তায় শত প্রতিকূলতার মধ্যে গণপরিবহনটি পরিচালনার পাশাপাশি দিন ভিত্তিক মালিকের ইজারা, দৈনন্দিন জ্বালানী ও অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচ, চালক নিজের ও হেলপারের বেতন উঠাতে গিয়ে অস্বাভাবিক প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। এতেই পরিবহনে নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

এবারের মে দিবসে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকারের পরিবর্তে বেঁচে থাকার জন্য রাস্তায় রাস্তায় ত্রাণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করছে। লকডাউনে রোজগার হারা শ্রমিকটি ভবিষ্যতের আশায় খেয়ে না খেয়ে মালিকের গাড়ি পাহারা দিচ্ছে। অপরদিকে বাজার হারানোর শঙ্কায় পোশাক খাতের শ্রমিকদের যেভাবে ঝুঁকিতে ঠেলে দিয়ে মে দিবস পালন করা অনেকটা তামাশার শামিল।

এহেন ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণে মহান মে দিবসের শিক্ষা নিয়ে প্রতিটি গণপরিবহন চালক-হেলপারদের স্থায়ী বেতন-কাঠামো ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্বিলিত নিয়োগপত্র প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবী জানান তিনি। একই সাথে সড়ক ও নৌ খাতের সকল শ্রমিককে পূর্নাঙ্গ ঈদ বোনাসসহ একমাসের বেতন ১৫ রমজানের মধ্যে পরিশোধের জোর দাবী জানান তিনি।

মন্তব্য করুন

comments