ত্রিপুরা ও আসামের ট্রানজিট কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘সেঁজুতি’

প্রতিবেশী দেশ ভারতের কলকাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর থেকে চার কনটেইনার ট্রানজিট পণ্য নিয়ে ‘এমভি সেঁজুতি’ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোররাতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ অনুযায়ী, বন্দরের নিজস্ব পাইলট টাগ বোটের সহায়তায় জাহাজটি বন্দরের মূল জেটিতে (বার্থ) আনার প্রক্রিয়া চলছে। 

এর আগে গত ১৯ জুলাই, রবিবার পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী বন্দর থেকে ২২১টি কন্টেইনার নিয়ে রওয়ানা হয় জাহাজটি। এর মধ্যে ২১৭টি কন্টেইনারই অবশ্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের। বাকি ৪টি কন্টেইনার যাবে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যে।

জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের পর সড়কপথে এই পরীক্ষামূলক চালানটি আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ওই রাজ্য দুটিতে যাবে। জানা গেছে, ত্রিপুরায় যাবে দুই কন্টেইনার টিএমটি বার বা লোহার রড এবং আসামে যাবে বাকি দুটি ডালজাতীয় পণ্যবোঝাই কন্টেইনার।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, এমভি সেঁজুতিতে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি ৪টি ট্রানজিট কন্টেইনারে রয়েছে ভারতীয় পণ্য।  এর মধ্যে দুই কন্টেইনার ডাল এবং দুই কন্টেইনারে ইস্পাত সামগ্রী রয়েছে।  এসব পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস করে আবার সড়ক পথে আখাউড়া হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে চলে যাবে।  চট্টগ্রামের স্থানীয় এজেন্ট ম্যাঙ্গো শিপিং লাইন ট্রানজিট কন্টেইনার ত্রিপুরা পৌঁছানোর পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ট্রানজিট কার্যক্রম পরিচালনা চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতারও একটি দিক বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন) জাফর আলম।  নির্ধারিত ফি বা চার্জ পরিশোধের পরই কন্টেইনারসমূহ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ত্রিপুরা পৌছানোর অনুমতি দেওয়া হবে।  একই নিয়মে আগামীতেও আরো পণ্য কলকাতা থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রানজিট হয়ে ত্রিপুরাসহ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে যাবে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য করুন

comments