দু-একদিনের মধ্যে ঢাকায় জোন ভিত্তিক লকডাউন

মহামারি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সংক্রমণের কেন্দ্র বিবেচনা করে রাজধানীকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিণ জোনে ভাগ করে জোন ভিত্তিক লকডাউন শুরু করতে যাচ্ছে সরকার।

এ লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল উপদেষ্টা কমিটি ঢাকার যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩০ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী আছে, সেই সব এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউনের পরামর্শ দিয়েছে।

যার মাধ্যমে আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে জোনিং ব্যবস্থা পুরোদমে বাস্তবায়ন করবে সরকার। আর প্রযুক্তিগত সহায়তার কাজটি করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও এটুআই।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিভিন্ন এলাকা বা ক্লাস্টার ভিত্তিক লকডাউনের একটি পরিকল্পনা করছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য রবিবার উপস্থাপন করা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, আগামীকাল রোববার এ বিষয়ে উপদেষ্টা কমিটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেবেন।

তিনি বলেন, “লকডাউনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।”

ঢাকার বাইরে যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে ১০ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত সেসব এলাকাকে লকডাউন করার পরামর্শ দিয়েছে উপদেষ্টা কমিটি।

এর চেয়ে কম আক্রান্ত এলাকাগুলো রয়েছে সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে ‘হলুদ’ এবং ‘সবুজ’ জোনে ভাগ করা হয়েছে। 

বিভিন্ন এলাকায় সংক্রমণের হার বিবেচনায় নিয়ে পাড়া, মহল্লা বা ছোট ছোট এলাকাভিত্তিক এসব লকডাউন কার্যকর করা হতে পারে বলে সরকারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

comments