চট্টগ্রামে লাইলাতুল কদর পালিত

ইবাদত, বন্দেগি, জিকির-আজগর, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দান খয়রাতের মধ্যদিয়ে ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে বারো আউলিয়ার চট্টগ্রামে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হয়েছে।

লাইলাতুল কদরের রাতটি মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছে অনেক ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। পবিত্র কোরআনে এ রাতকে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত ঘোষণা করেছেন মহান আল্লাহ। মাহে রমজানের এ রাতেই মানবজাতির জন্য সার্বিক দিকনির্দেশনা, কল্যাণ ও তাদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআন মজিদ নাজিল করেন।

মহিমান্বিত এ রজনীতে মানুষ মহান আল্লাহর দরবারে দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি করোনা মহামারী থেকে মুক্তি চেয়ে মোনাজাত করেন। নগরীর মসজিদে মসজিদে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইবাদত বন্দেগি করেন মুসল্লিরা। বাসা বাড়িতেও ইবাদত বন্দেগিতে ব্যস্ত ছিলেন নগরবাসী। মা, বাবা ও মুরব্বিদের কবর জেয়ারত করেন মুসল্লিরা। অনেকে দান খয়রাত করেন।
নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, জমিয়াতুল ফালাহ, বায়তুশ শরফ মসজিদ, এনায়েতবাজার শাহী জামে মসজিদসহ নগরীর সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে রাতটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়ে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘আমরা এমন একটি সময়ে পবিত্র রমজান মাস পালন করছি যখন সারা বিশ্ব নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত। বিশ্বব্যাপী প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশও এ ভাইরাসের আক্রমণের শিকার। আসুন শবে কদরের এ পবিত্র রজনিতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে এ মহামারি থেকে রক্ষার জন্য প্রার্থনা করি।’

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন, ‘আসুন, আমরা সকলে এ মহিমান্বিত রজনিতে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে বিশেষভাবে ইবাদত ও দোয়া করি যেন আল্লাহ বাংলাদেশের জনগণসহ বিশ্ববাসীকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে মুক্তি দেন।’

পবিত্র এ রজনিতে তিনি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম জাহানের উত্তরোত্তর উন্নতি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন।

মন্তব্য করুন

comments

আগের সংবাদচট্টগ্রামে নতুন করে ২৫৭ জনের করোনা শনাক্ত
পরের সংবাদ‘আমফান’ এর পরে দরজায় কড়া নাড়বে যে সব সাইক্লোন