গাড়ি ভাড়া করে ঈদযাত্রা, মানা হচ্ছেনা সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি

ঈদুল ফিতরের বাকি আর মাত্র একদিন। রাজধানী থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি ভাড়া করে ঈদযাত্রা করছেন অসংখ্য মানুষ। হস্পতিবার রাত থেকে ব্যক্তিগত পরিবহনে রাজধানী ছেড়ে বাড়ি ফেরার অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

এ ঘোষণার পরই শনিবার (২৩ মে) ভোরের আলো ফুটতেই ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসে করে রাজধানী ছাড়ছে ঘরবন্দি মানুষ। ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে গতকাল অনেক ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাস চলতে দেখা গেছে। মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি অংশে পুলিশের কোনো তল্লাশিচৌকি দেখা যায়নি।

সকাল থেকেই রাজধানীর গাবতলি, যাত্রাবাড়ী, আব্দুল্লাহপুরসহ মহাসড়কগুলোতে অসংখ্য মানুষকে ঘরে ফিরতে দেখা যায়। তবে সেই তুলনায় গাড়ি কম হওয়ায় অনেকেই বিপাকে পড়ছেন। রেন্ট এ কার কিংবা হঠাৎ বনে যাওয়া ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকারগুলো ইচ্ছেমত ভাড়া নিচ্ছেন যাত্রীদের কাছ থেকে। 

কোনও প্রাইভেট কারে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেখা যায়নি। যাত্রীরাও অনেকটা নিরুপায় হয়ে রওনা হচ্ছেন গন্তব্যে। প্রতি কারেই চালকসহ পাঁচ জনকে গাদাগাদি করে রওনা হতে দেখা গেছে।

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলেও চলছে ঈদযাত্রা

কিন্তু চালকরা জানিয়েছেন, তারা দুজন যাত্রী নিয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে ও হাতে গ্লাভস, মুখে মাক্স এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেই যাত্রা শুরু করেছেন।

সাধার‍ণ মানুষ বলছেন, গাড়িতে সিটের তুলনায় গাদাগাদি করে বেশি ভাড়া দিয়ে ফিরতে হচ্ছে। এতে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই।

শুধু প্রাইভেটকার নয়, এর পাশাপাশি ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলগুলোও ৫০০ টাকার বিনিময়ে পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছে দিচ্ছে যাত্রীদের। মোটরসাইকেলে দুজন চলার নিয়ম থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তিনজনকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

এছাড়া ভিড় বেড়েছে দুই নৌপথেও। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নেমেছে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে। রাজধানী থেকে সড়ক পথে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে এসে ফেরিতে পদ্মা নদী পার হয়ে কাঁঠালবাড়ি আসছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা। দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথেও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরিযোগে পাড়ি দিচ্ছে সাধারণ যাত্রীরা।

মন্তব্য করুন

comments