আম্ফানের প্রভাবে চট্টগ্রামে বৃষ্টি ও মাঝারি দমকা হাওয়া বইছে

বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের চট্টগ্রামে প্রভাবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও মাঝারি দমকা হাওয়া বইছে। এছাড়াও মঙ্গলবার সকাল থেকেই বাংলাদেশে গুমোট আবহাওয়া ও ভ্যাপসা গরম ছিল। চট্টগ্রাম জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় মাঝেমধ্যে বইছে হালকা ও মাঝারি দমকা বাতাস। সেই সঙ্গে পড়ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ‘আম্ফান’ আরো শক্তিশালী হয়ে সুপার সাইক্লোনে রূপ নিয়েছে। সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রের ৯০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রে কাছে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে সুন্দরবন উপকূলীয় জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫-১০ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবিলায় বাংলাদেশে উপকূলীয় জেলাগুলোতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা সুপার সাইক্লোন আম্ফানের কারণে বুধবার (২০ মে) ভোর ৬টায় মহাবিপদ সংকেত দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান। মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ২০ মে (বুধবার) ভোর ৬টায় বাংলাদেশ উপকূল দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবেশ করবে। ওই সময়ে আর কাউকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হবে না।

মন্তব্য করুন

comments

আগের সংবাদ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে এই ঈদ যেন আমাদের জীবনের শেষ ঈদ না হয়’
পরের সংবাদইমাম মোয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার দিল সিএমপি