আমদানী বন্ধ, আবার বাড়ছে পেঁয়াজের দাম

চট্টগ্রামে আবার অস্থির পেঁয়াজের বাজার। ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্তমানে প্রায় শতভাগ নির্ভর করতে হচ্ছে দেশীয় পেঁয়াজের ওপর। তাই শিগগিরিই সরবারহ বাড়ানো না হলে, আরো বাড়বে এই মসলাজাতীয় পণ্যের দর।

বর্তমানে খাতুনগঞ্জের আড়তে ভারতীয় পেঁয়াজ নেই বললেই চলে। আমদানি কমে যাওয়া আর সংকটের অজুহাত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এ সুযোগে বাড়িয়ে দিয়েছেন দেশি আর মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম। গত কিছুদিন ধরে উর্ধ্বমূখী ভোজ্যতেলের বাজারও।

গতকাল শনিবার (২৯ মে) নগরের খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের মোকাম খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারতীয় পেঁয়াজ না আসায় চাপ বেড়েছে দেশিয় পেঁয়াজে। মাসখানেক আগে ৩৬  থেকে ৩৭ টাকা দরে বিক্রি হওয়া দেশিয় ও মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির যে অনুমতি ছিল তার মেয়াদ গত ২৯ এপ্রিল শেষ হয়ে গেছে। এরপর আর নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পাওয়া যায়নি। অনেক আমদানিকারকে আমদানির অনুমতি চেয়ে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত অনুমতি পাননি। ভারতীয় পেঁয়াজ যতক্ষণ আমদানি হচ্ছেনা ততক্ষণ দাম কমার কোন সম্ভাবনা দেখছেন না তারা।

বর্তমানে দেশীয় পেঁয়াজের ভরা মৌসুম চলছে দেশে। এ বছর উৎপাদনও হয়েছে পর্যাপ্ত। কিন্তু তারপরও বাড়ছে পণ্যটির দাম। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিপ্রতি বেড়েছে ৫ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও কমবেশি নির্ভরতা থাকে ভারতীয় পেঁয়াজের ওপর। কিন্তু, এক মাসের বেশি সময় ধরে আমদানি বন্ধ থাকায় প্রায় উধাও বাজার থেকে। ফলে খানিকটা চাপ পড়েছে দেশীয় পেঁয়াজের ওপর। বিক্রেতাদের হিসাবে পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪০ টাকায়। যা খুচরা বাজারে ৪৬ টাকা টাকা পর্যন্ত।

মন্তব্য করুন

comments

আগের সংবাদসৌদিতে প্রবেশের অনুমতি পেল বাংলাদেশসহ ২৫ দেশ