X

ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবল বাংলাদেশ

আগের দুই ম্যাচে ১০ উইকেট ও ১০৪ রানে হারের পর শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশ হারল ২০০ রানে।

লক্ষ্য ৩৭০ রান। জিততে হলে অসম্ভবকে সম্ভব করতে হবে। তবে অতটা কষ্ট হয়তো করতে চান না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ৩৬৯ রানের জবাবে ১৬৯ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা।

আরেকটি বাজে দিন, আরেকটি হতাশাময় পারফরম্যান্স, আরেকটি বড় হার। ব্যাটে-বলে ছ্ন্নছাড়া পারফরম্যান্সে শেষ ম্যাচেও বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ।

তাসকিনকে ফেরানোর এক বল পর মিরাজকেও ফিরিয়ে ম্যাচের ইতি টানলেন ইমরান তাহির। বাংলাদেশ হারল ২০০ রানে।

সফরের আর সব ম্যাচের মত শুরু থেকেই বাংলাদেশ ছিল বিবর্ণ। শতরানের উদ্বোধনী জুটি আর পরের ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সে দক্ষিণ আফ্রিকা গড়ে ৩৬৯ রানে পাহাড়। রান তাড়ায় শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ ৬১ রানে হারায় ৫ উইকেট। এরপর ছিল কেবলই ব্যবধান কমানোর লড়াই। সেই চেষ্টায়ও বাকিরা সফল হতে পারেনি খুব একটা।

এই নিয়ে ওয়ানডেতে চতুর্থবার ২০০ বা তার বেশি ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয়বার। ২০১১ বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের কাছে হার ছিল ২০৬ রানের।

টেস্ট সিরিজের মত ওয়ানডেতেও হোয়াইটওয়াশড বাংলাদেশ। এই ফলের চেয়েও বড় হতাশা, একটি ম্যাচেও ন্যূনতম লড়াই করতে পারেনি দল। দু:স্বপ্নের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাকি আছে এখন কেবল দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

দক্ষিণ আফ্রিকা: ৫০ ওভারে ৩৬৯/৬ (বাভুমা ৪৮, ডি কক ৭৩, দু প্লেসি আহত অবসর ৯১*, মারক্রাম ৬৬, ডি ভিলিয়ার্স ২০, বেহারদিন ৩৩*, মুল্ডার ২, ফেলুকওয়ায়ো ৫, রাবাদা ২৩*; মাশরাফি ০/৬৯, মিরাজ ২/৫৯, রুবেল ১/৭৫, সাকিব ০/৫৬, তাসকিন ২/৬৬, মাহমুদউল্লাহ ০/৩৩, সাব্বির ০/৮)

বাংলাদেশ: ৪০.৪ ওভারে ১৬৯ (ইমরুল ‌১, সৌম্য ৮, লিটন ৬, মুশফিক ৮, সাকিব ৬৩, মাহমুদউল্লাহ ২, সাব্বির ৩৯, মিরাজ ১৫, মাশরাফি ১৭, তাসকিন ২, রুবেল ০*; রাবাদা ১/৩৩, প্যাটারসন ৩/৪৪, মুল্ডার ১/৩২, ফেলুকওয়ায়ো ১/১৩, তাহির ২/২৭, মারক্রাম ২/১৮)

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০ রানে জয়ী

সিরিজ: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩-০ ব্যবধানে জয়ী

মন্তব্য করুন

comments