X

নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম সমিতির আয়োজনে ‘চট্টলা মেলা’

গত ৯ জুলাই, রোববার উত্তর আমেরিকার সর্ব বৃহৎ পথমেলা ব্রুকলীনের চার্চ ম্যাকডোনাল্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। টানা পঞ্চমবারের মত আয়োজিত এই মেলা চট্টলা বৈশাখী পথমেলা নামেই খ্যাত।

প্রবাস প্রজন্মে বাংলা ভাষা আর সংস্কৃতি বিকাশ ও বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার স্লোগান নিয়ে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টলা মেলা’। প্রতি বছরই গ্রীষ্মে এ মেলা হয়। প্রীতিলতা আর সূর্যসেনের মত দেশপ্রেমিক সন্তানের জন্মস্থান এবং পীর-আউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টলার উন্নয়ন তথা বাংলাদেশের উন্নয়নে একযোগে কাজের সংকল্প উচ্চারিত হলো ২০ হাজারের বেশি প্রবাসীর সমাবেশ থেকে।

ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধনকালে ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল করিম বলেন, ১৭৫৭ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম থেকে। সেই বীর চট্টলার প্রবাসীরা এখন গোটা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রেখে চলেছেন।

চট্টগ্রামে বিশ্বমানের একটি হাসপাতাল নির্মাণে প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এ মুখ্য সচিব বলেন, “বলতে দ্বিধা নেই, বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। বড় বড় অনেক প্রকল্প বাংলাদেশ নিজের অর্থেই বাস্তবায়িত করছে। এটি সম্ভব হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গোটা দেশ ঐক্যবদ্ধ থাকায়”।

বাঙালি ঐতিহ্যের খাদ্য আর পোশাকের শতাধিক দোকানের পাশাপাশি মূলমঞ্চে চলে দেশ ও প্রবাসের প্রখ্যাত শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। জনপ্রিয় শিল্পীর মধ্যে ছিলেন কৃষ্ণাতিথি, শাহ মাহবুব, বিউটি দাস, রোকসানা মির্জা, মিরা সিনহা প্রমুখ। ছোট্টমনি মুন আর মম্পির নাচ সকলকে মাতিয়ে রেখেছিল।

সমগ্র অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন সাংবাদিক আশরাফুল হাসান বুলবুল এবং সাংস্কৃতিক সংগঠক শারমিন নিহার। মূলধারার কয়েকজন নেতাও শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রবাসীদের এমন আয়োজনের প্রশংসা করেন।

বক্তারা বলেন, ‘এখন সময় হচ্ছে বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নেয়ার। চট্টগ্রামবাসীকে সবার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রিয় মাতৃভূমির কল্যাণে কাজ করতে হবে। কারণ, বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরাও ভালো থাকবো।”

হোস্ট কমিটির নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, ট্রাস্টিবোর্ডেও মেম্বার খোরশেদ খন্দকার, চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আব্দুল হাই জিয়া, সেক্রেটারি মো. সেলিম, সাবেক সভাপতি কাজী আজম, মিরেসরাই সমিতির সভাপতি কাজী নয়ন প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

comments