চট্টগ্রামে প্রশ্ন ফাঁসে সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত

48
শেয়ার

চট্টগ্রামে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র যায় ঢাকা থেকে। এজন্য বিকাশে পাঠাতে হয়েছে টাকা। পুলিশের দাবি, সংঘবদ্ধ বড় একটি চক্র জড়িত প্রশ্ন ফাঁসে।

আর এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়াও সহজ হয়েছে। প্রাথমিকভাবে চক্রটি সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে।

তবে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় সরাসরি জড়িত না হয়েও,পরীক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করায় ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।পরীক্ষা শুরুর আগেই মোবাইলে প্রশ্নপত্র। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে যা দেখে নেয়ার সময় চট্টগ্রামে ধরা পড়ে পটিয়া আইডিয়েল স্কুলের ৫৬ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ২৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়। আটক হয় ৯ শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষক। আলাদাভাবে আটক হয় আরও ২ শিক্ষার্থী।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফেইসবুক এবং হোয়াটসআপে অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন সংগ্রহ করার কথা স্বীকার করে পরীক্ষার্থীরা। পুলিশ বলছে, ঢাকা থেকে সরবরাহ করা হয়েছে এসব প্রশ্ন। এমন কিছু মোবাইল নম্বর ও ফেইসবুক আইডি শনাক্ত করার কথাও বলছেন তারা। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলা তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ। তাদের ধারণা, এর সাথে জড়িত আছে সংঘবদ্ধ চক্র। এখন এই চক্রটিকে খুঁজছে পুলিশ। তবে বহিষ্কারের পরও পরীক্ষার্থীদের গ্রেফতার এবং রিমান্ডে নেয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষাবিদরাও। বলছেন, প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত না থেকেও লঘুপাপে গুরুদন্ড পাচ্ছে এসব শিক্ষার্থী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্র হওয়ায় ফেসবুকসহ প্রযুক্তির সাহায্যে ফাস হওয়া প্রশ্ন সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া সহজ হয়েছে দুর্বৃত্তদের জন্য।

মন্তব্য করুন

comments