সাভারে পানির খনির সন্ধান

86
শেয়ার

ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের জন্য সাভারের ভাকুর্তায় একটি পানির খনি পাওয়া গেছে উল্লেখ করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান বলেন বলেন, ‘হিমালয় থেকে একটি চ্যানেল হয়ে ভাকুর্তায় এসে পানি জমা হচ্ছে। গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেই খনি থেকে প্রতিদিন ১৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলন করা হবে। কিন্তু সেখানে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি হবে না। হিমালয়ের পানি এসে শূন্যস্থান ভরাট করবে আবার।’

মঙ্গলবার কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আট বছর আগে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা’ শিরোনামে একটি উদ্যোগ নেন। এ সময়ে ১৬০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলেও ৯০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়িয়েছে ঢাকা ওয়াসা।”

২১২ কোটি লিটার চাহিদার বিপরীতে ২০০৯ সালে ঢাকা ওয়াসা দৈনিক পানি উৎপাদন করত ১৮৮ কোটি লিটার। সিস্টেম লস ছিল ৪৪ শতাংশ। বিল আদায় হতো ৬০ শতাংশ। মাত্র আট বছরের ব্যবধানে এখন ২৩৫ কোটি লিটার চাহিদার বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা পানি উৎপাদন করছে ২৪৫ কোটি লিটার। সিস্টেম লস কমে দাঁড়িয়েছে ২২ শতাংশে। বিল আদায় হচ্ছে ৯৯ শতাংশ। ঠিক এভাবেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা ওয়াসা ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান।

তাকসিম এ খান আরও বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার সময় ৮৭ শতাংশ পানির উৎস ছিল ভূগর্ভস্থ। এখন সেটা ৭৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনবেন। আগামী বছরের মধ্যে পদ্মা থেকে পানি আসবে। গন্ধর্বপুর প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২০ সালে ও সায়েদাবাদ তৃতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ হবে ২০২১ সালে।’

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তাকসিম এ খান বলেন, ‘অনেক উন্নত শহরেও জলাবদ্ধতা হয়। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বৃষ্টি হলে যান চলাচল বন্ধ করে টানেলে পানি জমা করা হয়। ঢাকা শহরে সেটা নেই। একটি শহরে ১২ শতাংশ এলাকা জলাশয় থাকা প্রয়োজন। ঢাকায় আছে ২ শতাংশ। তার পরও অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর দু-তিন ঘণ্টার বেশি সময় নগরীতে পানি জমে থাকবে না।’

মন্তব্য করুন

comments