বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ৫ লাখ রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন

39
শেয়ার

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২ টি অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ এগিয়ে চলছে।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত পাঁচ লাখ রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার মতে এবার বাংলাদেশে অন্তত ছয় লাখ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। এর আগেই বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছিল প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা।

নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে এবার সব রোহিঙ্গাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সেই কর্মসূচি এগিয়ে চলছে বেশ সফলভাবেই। এ পর্যন্ত নিবন্ধন আওতায় এসেছে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা।

প্রথম দিকে নিবন্ধনে তেমন আগ্রহ না থাকলেও ত্রাণ সংগ্রহ এবং নিজেদের আত্মপরিচয়ের জন্য এখন নিয়মিত নিবন্ধনে আসছেন রোহিঙ্গারা।সুশৃঙ্খলভাবে লাইন ধরে তারা নিবন্ধিত হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন সব পক্ষের সহযোগিতায় নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি সফলভাবে এগিয়ে চলছে।আর কয়েক মাসের মধ্যেই সব রোহিঙ্গার নিবন্ধন শেষ করা যাবে বলেও মনে করছেন তারা।

এদিকে ঢাকায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) পক্ষ থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিঃশর্তে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি তারা যে মানবেতর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানানো হয় সংগঠনটির এক বিবৃতিতে।

১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে মিয়ানমারের নাগরিকদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ শুরু হয়। প্রথমদিন ২০ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করা হয়। এর মধ্যে আটজনকে পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে তাদের নিবন্ধন করার কাজ এগিয়ে চলে।

মন্তব্য করুন

comments