X

রোহিঙ্গা ভোটার ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম

সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয় সভায় জানানো হয় নতুন এই নিয়মের কথা। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেছেন, দেশের যেসব এলাকায় রোহিঙ্গারা বসবাস করছে সেখানকার জনগণকে ভোটার হতে হলে বাবা-মা, ফুফু এবং চাচার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেখাতে হবে।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা বৃদ্ধির তথ্য জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘এর আগে ২০টি উপজেলা ছিল বিশেষ এলাকা। এবার আরও ১০টি এলাকা চিহ্নিত করেছি। এই ৩০টি এলাকার জন্য বিশেষ কমিটি রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার প্রবণতা রোধে এসব বিশেষ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন করে কোন ১০টি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সচিব তা উল্লেখ করেননি।।

তিনটি ধাপে মোট ৭২ দিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১ জানুয়ারি ২০০০ বা তার আগে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে এবার তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সচিব বলেন, ‘২৫ জুলাই থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার যোগ্যদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তথ্য সংগ্রহের কাজ চলবে ৯ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর তিনটি ধাপে মোট ৭২ দিনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হবে। ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাদের বয়স ১ জানুয়ারি ২০০০ বা তার আগে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে এবার তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া কেউ ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চাইলেও তা করতে পারবেন। তাছাড়া ভোটার তালিকা থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়া হবে।’

এছাড়া সারা বছরই যে কেউ নতুন করে ভোটার আইডি করতে পারবেন, সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন, সংযোজন-বিয়োজন করতে পারবেন, কোনো প্রকার ভুল বা বিচ্যুতি থাকলে যেকোনো সময় উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে আবেদন করতে পারবেন।

তথ্য হালনাগাদের সময় নাম সংশোধন বা ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে পারবেন কিনা জানতে চাইলে সচিব বলেন, ১৩ নম্বর ফরম পূরণ করে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করা যাবে। তথ্য হালনাগাদে নাম সংশোধনের বিষয়টি রাখা হয়নি। নাম বা অন্য যেকোনো তথ্য সংশোধনের জন্য নির্বাচন অফিসে যেতে হবে।

আগামী ২৫ জুলাই থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু করবে ইসি। ময়মনসিংহ থেকে এই কাজের উদ্বোধন করা হবে।

মন্তব্য করুন

comments