২০২১ সালের মধ্যে ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসবে সারাদেশ

33
শেয়ার

রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ দ্রুত তথ্য ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে সারাদেশ ব্রডব্যান্ডের আওতায় আসবে।

আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সেন্টারে (বিআইসিসি) আয়োজিত ডাটা সেন্টার টেকনোলজিস (ডিটিসি) সামিট এন্ড গ্রিন ডাটা সেন্টার কনফারেন্সে তারা এ কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, ইতোমধ্যেই দেশের কিছু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটালাইজেশন শুরু হয়েছে। অচিরেই সকল প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে ডিজিটাল অ্যাকটিভিটিজের আওতায় আনা হবে।

তারা বলেন, উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে যেভাবে তথ্য ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে তা বিস্ময়কর।
সেমিনারে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ, এমপি, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশনের (বিটিআরসির) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডাটা সেন্টার প্রাকটিশনার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পারভেজ, এ্যসরেই (বাংলাদেশ) চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মানস কুমার মিত্র প্রমুখ।

ইমরান আহমেদ বলেন, ডাটা সংরক্ষণ যে কোন সেক্টরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রায় ২ কোটির মত ডাটা সেন্টার রয়েছে। এর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন নতুন আইডিয়া আনতে হবে। কেন না বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি খাতে এগিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর।
তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় আরো উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এদেশে হবে। তাই ডাটা সেন্টার একক কোন বিষয় নয়। সাময়িকভাবে এখাতকে সম্প্রসারণ করতে সকলকে এগিয়ে যেতে হবে।

শাহজাহান মাহমুদ বলেন, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে ডাটা সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, এখন জনগণ সচেতনভাবেই বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে তাদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে ডাটা সম্পর্কিত তথ্য জানতে চায়।
ডাটা সেন্টার ইনফ্রাকটেকচার কনসালটেন্সি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার আজমল হোসেন বলেন,দ্বিতীয়বারের মতো এ সামিটের আয়োজন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য দেশের যুবসমাজ ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সকলকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করে আন্তার্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করা।

দুদিনব্যাপী এ সামিটে বিশ্বের ১৩ দেশ অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমেরিকা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, সিঙ্গাপুর, ভারত, শ্রীলংকা ও ইংল্যান্ড।
২৭টি স্টল নিয়ে প্রদর্শন করা হয়েছে নানা উপকরণ ও যন্ত্রাংশ। এ সামিটে ৫৯টা সেশন অনুষ্ঠিত হবে।সিকিউরিটি পার্টনার এবিবি টাইকো, শার্ক, সটার লাইনসহ কয়েকটি সংস্থা যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করে।(বাসস)

মন্তব্য করুন

comments