X

বাংলাদেশ সীমান্তে পোঁতা হয়েছে ভয়ঙ্কর মাইন!

রোহিঙ্গা ইস্যুতে দিন দিন জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। মায়ানমারের সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর নিষিদ্ধ এ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন পেতে রেখেছে। এমনকি সেই মাইন পুঁতে রাখার প্রমাণ পাওয়া গেছে।এমনটাই জানিয়েছে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন।

এই মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, এই ধরণের মাইন যুদ্ধক্ষেত্রে শুধুমাত্র মানুষ নিধনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যা ট্যাংক-বিধ্বংসী মাইন থেকে আলাদা। মানুষের পায়ের চাপ পড়লেই মাটিতে পেতে রাখা এই মাইন বিস্ফোরিত হয়। বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে এখন প্রতিদিন হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। দু সপ্তাহ আগে সীমান্তসংলগ্ন রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদেরে বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান ও সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ৭০ হাজার লোক বাংলাদেশে এসেছে বলে রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে।

এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আরো বলেছে, মিয়ানমার সীমান্তে পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরিত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে তিন জন বেসামরিক লোক আহত হয়েছে, এবং একজন লোক নিহত হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।

এই মানবাধিকার সংস্থাটিকে বলেছে, মায়ানমার সেনাবাহিনী যে মাইন পাতছে সেটা তাঁরা দেখতে পেয়েছে। পুরো সীমান্ত বরাবর এই মাইন পোঁতা হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। অটোয়া চুক্তি নামে ১৯৯৭ সালে গৃহীত এক আন্তর্জাতিক চুক্তিতে এ্যান্টি-পার্সোনেল মাইন নিষিদ্ধ করা হয় – যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চিন, ভারত ও পাকিস্তান সহ বেশ কিছু দেশ এতে স্বাক্ষর করে নি।

মন্তব্য করুন

comments