কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে ছাড়া হচ্ছে সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি

129
শেয়ার

টানা বৃস্টি, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬ গেইট ৩ ফুট হারে খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি যাচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে।এর ফলে কাপ্তাই উপজেলার নিম্নাঞ্চলসহ রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, বোয়ালখালি ইত্যাদি উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

হ্রদের পাশে নিচু এলাকায় অবস্থিত শতশত কাঁচা ঘরবাড়ি এবং বিভিন্ন স্থাপনা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বর্তমানে কাপ্তাই এবং রাঙ্গামাটিতে যেহারে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে তা চলমান থাকলে রাঙ্গামাটিবাসীকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কাপ্তাই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সুত্রে জানা গেছে,শনিবার সকালে হ্রদে পানি ছিল ১০৫.৪ এমএসএল,বিকেলে তা বেড়ে হয় ১০৭.৬৭ এমএসএল।কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। বর্তমানে স্বাভাবিকের চেয়ে হ্রদে ১৫.১৫ ফুট পানি বেশি রয়েছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ১৬টি স্পিলওয়ে ৬ ইঞ্চি করে খোলা ছিল। কয়েকদিন ধরে উজান থেকে পানির স্রোত বাড়ায় শুক্রবার বিকেলে পরিধি বাড়িয়ে একফুট করা হয়। এতেও সামাল দিতে না পারায় শনিবার সকালে স্পিলওয়ের পরিধি বাড়িয়ে দুই ফুট করা হয়। বিকেল নাগাদ কাপ্তাই লেকের পানির স্তর অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় পানির বাড়তি চাপ সামলাতে সন্ধ্যা ৬টায় ১৬টি স্পিলওয়ের পরিধি বাড়িয়ে তিন ফুট খুলে দেয়া হয়। এতে ১৬টি স্পিলওয়ে দিয়ে সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছে।

তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু থাকলে এতো পানি ছাড়ার প্রয়োজন হতো না। তখন ইউনিটের জেনারেটরের মাধ্যমে পানি ছাড়া হতো সেকেন্ডে ৩৪ হাজার কিউসেক। ১টি ইউনিট নষ্ট থাকায় এখন চালু আছে ৪টি।

মন্তব্য করুন

comments