হালদা-কর্ণফুলী এখন বুড়িগঙ্গা হতে চলেছে: নাছির

17
শেয়ার

অপরিকল্পিত নগরায়ন, জলাশয়, জলাধার ধ্বংস করে ফেলায় হালদা-কর্ণফুলী এখন বুড়িগঙ্গা হতে চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

শুক্রবার সকালে ‘নগর সাংবাদিকতা: প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে মেয়র এ মন্তব্য করেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কক্সবাজারের নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে।

মেয়র বলেন, সাংবাদিকদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি, ব্যাপক ও বিস্তৃত। ক্রীড়া সংগঠক, রাজনীতিক, মেয়র হিসেবে একেক সময় একেক ধরনের প্রত্যাশা ছিল, আছে। এর মধ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ নগর সাংবাদিকতা। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সাংবাদিকরা জনমত তৈরি করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমাদের কথাগুলো আমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা। পদ যারা ধারণ করছে তারা নেতা। নেতারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। এটা নিষ্ঠুর বাস্তবতা।’

মেয়র আরও বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী, বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। এ নগর আমাদের। দেশেরই একটা অংশ। দিন শেষে আমরা এ নগরের বাসিন্দা। যে যেখানে আছি সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে নগরের উন্নয়নে। দেশপ্রেম থাকলে দায়িত্ব বেড়ে যায়। ব্যক্তি বড় নয়। নগর ও দেশই বড় কথা। তাই দীর্ঘমেয়াদি সুফল-কুফল নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করতে হবে।

প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ারের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ।

কলিম সরওয়ার বলেন, আজ প্রেসক্লাবের জন্য আনন্দের দিন। ৩০ বছর আমি ক্লাবের সদস্য। চট্টগ্রামের বাইরে এবার প্রথম কর্মশালার আয়োজন।
এতে সহযোগিতার জন্য চসিককে আন্তরিক ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিক তৈরি করতে চাই। এ লক্ষ্যে আমাদের পথচলা শুরু হলো। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।’

শুকলাল দাশ বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে নগর সাংবাদিকতার নিবিড় সম্পর্ক। তাই এ কর্মশালার আয়োজন।

কর্মশালাতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন এটিএন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ ই মামুন, খ্যাতিমান আলোকচিত্রী পাভেল রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক ও একুশে টেলিভিশনের
আবাসিক সম্পাদক রফিকুল বাহার, দৈনিক আজাদীর বার্তা সম্পাদক একেএম জহুরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল আলম চৌধুরী।

জ ই মামুন বলেন, শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারাদেশের সাংবাদিকদের পরস্পর শেয়ারিং করা উচিত।

কর্মশালায় প্রিন্ট, অনলাইন ও টেলিভিশনের ৬৫ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন।

মন্তব্য করুন

comments