পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী

31
শেয়ার

টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় পাঁচ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি)। এছাড়া বিজিপি ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন এক জেলে।

আজ শনিবার সকাল ৮ টার দিকে টেকনাফের কাঞ্জর পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিবাদলিপি পাঠাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন কাঞ্জর পাড়ার মৃত নুর আহমদের ছেলে শাহ আলম (৩৪), মৃত আব্দুস শুক্কুরের ছেলে ইয়ার মোহাম্মদ (৩৬), আবদুল জলিলের ছেলে পেঠান আলী (৩০), আবদুল গফুরের ছেলে মো. আজিজ উল্লাহ (১৮) ও টেকনাফ জালিয়া পাড়ার আব্বাস মিয়ার ছেলে মো. রফিক (২৮)।

জানা যায়, হোয়াইক্যং কাঞ্জর পাড়া পয়েন্ট দিয়ে শাহ আলমসহ ৬ জন জেলে শনিবার ভোরে নাফ নদীতে মাছ ধরতে যায়। সকাল ৮ টার দিকে নাফ নদীতে আচমকা মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি স্পিডবোট তাদের উপর আক্রমণ করে পাঁচ জন জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। সেসময় আরেক জেলে মো: ইসলাম (৩০) গুলিবিদ্ধ আহত অবস্থায় নদীতে ঝাপ দিয়ে পালিয়ে আসে। তাকে স্থানীয়রা চিকিৎসার জন্য দ্রুত উখিয়ার কুতুপালং এর একটি এনজিও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মিয়ানমার বাহিনীর হাতে আটক শাহ আলমের ভাই মো. শামসুল আলম বলেন, নাফ নদীর বাংলাদেশ সীমানায় মাছ ধরছিল তার ভাইসহ অন্যান্য জেলেরা। বিনা উস্কানিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে মিয়ানমার বাহিনী।

স্থানীয় প্যানেল চেয়ারম্যান রাকিব আহমেদ জানান, ভোরে একদল জেলে মাছ শিকারে যায়। সকাল ৮টার দিকে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর স্পিডবোট এসে ওই জেলেদের ধরে নিয়ে ওপারে চলে যায়। এর মধ্যে একজন পালিয়ে আসলে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী গুলে ছুঁড়লে মো. ইসলাম আহত হন।

এ ব্যাপারে বিজিবি ২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম জানান, মাছ ধরা নৌকাসহ বেশ কয়েকজন জেলে ধরে নেয়ার ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে লিখিত কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তবে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকার জেলেদের মাছ শিকারের ঘটনা কাম্য নয়। তারা শূন্য রেখা অতিক্রম করে ওপারে চলে যাওয়াতে এ ঘটনা ঘটেছে। তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য সার্বিক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

comments