X

আসামি ছিনতাই চেষ্টা কালে ৮জন গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় কালারমারছড়া ইউনিয়নে স্থানীয় লোকজন পুলিশ ফাঁড়ি থেকে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আটজন গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুরে সিএনজি স্টেশন স্থানান্তর নিয়ে গত ক’দিন ধরে বিবদমান দু’টি গ্রুপের মধ্যে সৃষ্ট ঘটনার মামলায় কালারমারছড়া ইউনিয়নের সিএনজি অটোরিকশার এক চালককে গ্রেপ্তার করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে এ সংঘর্ষেও ঘটনা ঘটে।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওসমান বিন তারেকের নেতৃত্বে স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক ও জনতা পুলিশ ফাঁড়িতে যায় আসামিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য। এ সময় পুলিশের সঙ্গে কথাকাটাকাটি, ধস্তাধস্তি হয় শ্রমিক ও স্থানীদের। পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ফাঁড়ি থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে বিক্ষুব্ধ লোকজন।

ইউপি চেয়ারম্যান তারেক অভিযোগ করেন, বিক্ষুব্ধ লোকজনের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। এতে তিনিসহ ১৫ জন হন। এদের মধ্যে আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনর্চাজ প্রদীপ কুমার দাশ জানান, মহেশখালীর গোরক ঘাটা জনতা বাজার সড়কের বদর খালী এলাকার সিএনজি স্টেশন স্থানান্তর নিয়ে উপজেলার দু’টি গ্রুপ বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে গত ৩/৪ দিন ধরে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি চলে আসছে। এ নিয়ে থানায় মামলা হলে পুলিশ আজ দুপুরে কালারমার ছড়া বাজার হতে ওই মামলার আসামী গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার সমর্থকরা পুলিশের উপর হামলা করে কালারমার ছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এস আই রাজু আহমদ গাজীর রিভলবারের ম্যাগজিন ছিনিয়ে নেয় এবং পুলিশের উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এক এ এস আই সহ ৩ পুলিশ আহত হয়। আহতরা হলেন, এ এস আই অহিদ,কনষ্টেবল হানিফ রায়হান, ও পারভেজ।

মন্তব্য করুন

comments