বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত করা হবে রোহিঙ্গাদের

47
শেয়ার

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের তালিকা তৈরি করে তাদের বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ পদ্ধতিতে নিবন্ধন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চাইলেই যাতে তাদের খোঁজ পাওয়া যায় সেজন্য তাদের ছবি, আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হবে।

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তের ১৭ টি পয়েন্টে শুরু হচ্ছে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির নিবন্ধন। প্রাথমিকভাবে পাসপোর্ট অফিসের সহায়তায় এই নিবন্ধনের কার্যক্রম চালানো হবে। এছাড়া রোহিঙ্গা বিষয়ক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খালেদ মাহমুদ এ তথ্য জানান।

খালেদ মাহমুদ জানান, রোহিঙ্গা বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে, যেখানে পর্যায়ক্রমে জেলা প্রশাসনের চার জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। ২০১৬ সালের শুরু থেকে যেসব রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে তাদের বয়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হবে। এজন্য ১৭ টি পয়েন্ট সনাক্ত করা হয়েছে। এসব পয়েন্টে তাদের ডিজিটাল নিবন্ধন করা হবে। এজন্য স্বেচ্ছাসেবকও নেয়া হবে।সব রোহিঙ্গাকে একই স্থানে নিয়ে গিয়ে ডাটাবেয়জ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া গতকাল থেকে রাস্তায় থাকা রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের ভেতর নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

অনেক রোহিঙ্গা কক্সবাজার বা চট্টগ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে, তাদের ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে খালিদ মোহাম্মদ বলেন, যারা বাইরে যাচ্ছে, তাদেরও এখানে আনার ব্যবস্থা হবে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে বলেছেন, আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছি। তাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক চাপ দেয়া হবে।

মন্তব্য করুন

comments