মাদকের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

25
বরখাস্ত বাবলু খন্দকার ও টিএসআই (টাউন সাব ইন্সপেক্টর) সিদ্দিকুর রহমান।

চট্টগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য গ্রেফতারের মামলায় অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম আদালতের প্রসিকিউশন শাখায় জমা দেওয়া এ অভিযোগপত্রে গ্রেফতার দুই পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সাবেক টিএসআই (টাউন সাব ইন্সপেক্টর) সিদ্দিকুর রহমান ও রেলওয়ে পুলিশের সাবেক টিএসআই বাবলু খন্দকার। বর্তমানে দু’জনই কারাগারে আছেন।

চট্টগ্রাম কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এসআই রাছিব খান জানান, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় বরখাস্ত দুই পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত এক আসামির কথা বলা হলেও তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় দু’জনকে আসামি করা হয়েছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. কামরুজ্জামান জানান, অভিযোগপত্রটি তারা গ্রহণ করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে তা আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাবলু খন্দকার ও সিদ্দিকুর একসঙ্গে চট্টগ্রাম নগর পুলিশে (সিএমপি) কর্মরত থাকার সময়ে পুলিশে চাকরির সুবাদে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন। গত ১৪ জুন চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার সিজিএস কলোনি এলাকা থেকে র‌্যাব-৭ ও সিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের যৌথ অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবা, ৮০ হাজার টাকাসহ সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সিদ্দিকুর তার ইয়াবা কারবারে টিএসআই বাবলু খন্দকারের নাম প্রকাশ করেন। এ কাজে তাদের সঙ্গে আরও একজনের জড়িত থাকার কথা বললেও তার নাম জানাতে পারেননি। পরে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এসআই সঞ্জয় গুহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। গত ৩ জুলাই রাতে র‌্যাব-৪-এর সদস্যরা বাবলু খন্দকার ও তার স্ত্রী শিউলি আক্তারকে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার করেন।

মন্তব্য করুন

comments