টোল বসছেনা আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে

27
Akhtaruzzaman flyover

আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সিডিএ নির্মিত লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায় না করার পরামর্শ দিয়ে চসিককে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। এর ফলে আর টোল বসছে না আখতারুজামান ফ্লাইওভারে। একই সাথে চিঠিতে ফ্লাইওভারটির প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তর করতে বলা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ই জুলাই) স্থানীয় সরকার বিভাগের (সিটি কর্পোরেশন শাখা-২) উপ সচিব এমদাদুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) পাঠানো হয়।

জানা যায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (সিটি করপোরেশন- ২ শাখা) উপ-সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘মুরাদপুর, দুই নম্বর গেইট ও জিইসি জংশনে ফ্লাইওভার নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ছয় দশমিক দুই কিলোমিটার আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায় করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই এবং প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপিতে টোল আদায়ের বিষয়টি উল্লেখ নেই। এছাড়া স্থানীয় জনগণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ টোল আদায়ের বিরোধিতা করছেন বিধায় টোল আদায় করা সমিচীন হবে না। এমতাবস্থায় ফ্লাইওভারটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনূকুলে হস্তান্তর করা হলে সিটি কর্পোরেশন টোল আদায় ছাড়াই নিজস্ব তহবিল থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে’।

এর আগে সিডিএর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ মার্চ আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায়ের বিষয়ে মতামত চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বিষয়টি প্রকাশ পেলে এরপর থেকে ফ্লাইওভারে টোল আদায় প্রসঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন টোল আদায়ে জনমনে নানা নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে এর বিরোধিতা করে আসছে। পরবর্তীতে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার থেকে টোল আদায়ে আপত্তি জানিয়ে গত ৮ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।

মন্তব্য করুন

comments