মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন চট্টগ্রামের আওয়ামিলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা

34
শেয়ার

চট্টগ্রাম-১১ আসনে আওয়ামী লীগের বর্তমান সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতয়ালী) আসনে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল,চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-ডবলমুরিং) আসন থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ডা. আফসারুল আমিন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসন থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ,চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সামশুল হক চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-৬ আসনে (রাউজান) এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নানের কাছে এম এ লতিফ,ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল,ডা. আফসারুল আমিন মনোনয়নপত্র জমা দেন। অন্যদিকে ড. হাছান মাহমুদ এবং সামশুল হক চৌধুরী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এবং এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজার হাতে।

এম এ লতিফ ২০০৯ সালে দুই বছরের জন্য চিটাগাং চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি চট্টগ্রাম শহরের, চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসন হতে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং চট্টগ্রাম-১১ সংসদীয় আসন ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতয়ালী) আসনে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের নওফেল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে চট্টগ্রাম-০৯ আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের সুযোগ দিয়েছেন। এই আসনের ভোটাররা উজ্জীবিত। ইভিএম নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের কারণে জনগণ নৌকা প্রতীকে ভোট দেবেন। এসময় তিনি চট্টগ্রাম-০৯ (কোতোয়ালী) আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নুরুল হুদার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

ডা. আফসারুল আমিন ১৯৯৬ থেকে টানা ৪ বার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ২০০৮ সালে বিএনপির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল নোমানকে তিনি পরাজিত করেন। পরবর্তিতে তিনি নৌপরিবহনমন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসন থেকে বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে রাঙ্গুনিয়ার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাড়াও সুনামের সঙ্গে সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

পটিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সামশুল হক চৌধুরী। ২০০৮ সালে ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে প্রথম জয় পায় আওয়ামী লীগ। দুইবারের সংসদ সদস্য বিএনপির গাজী শাহজাহান জুয়েলকে হারিয়ে এ আসনে এমপি হন সামশুল। ২০১৪ সালেও তিনি সংসদ সদস্য হন।

চট্টগ্রাম-৬ আসনে (রাউজান) আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ সময় রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবদুল ওহাব, এবিএম ফজলে করিমের ছেলে ফারাজ করিম চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী পরপর ৩ বার (২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নযজ্ঞের মাধ্যমে রাউজান উপজেলাকে পিংক সিটিতে রূপান্তর করছেন।তিনি উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও রেলপথ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

মন্তব্য করুন

comments