হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে পৃথক দুটি ঘটনায় দুজনের আত্নহত্যা

64
শেয়ার
প্রতিকী ছবি

হাটহাজারীতে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় নীলা নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ লাশটি থানায় নিয়ে এসেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। পরিবার থেকে বলা হয়েছে নীলা আত্মহত্যা করেছে।

নিহত উম্মে সাহিদা সুলতানা নীলা (২৪) অটোরিক্সা চালক খোরশেদুল আলম রুবেলের স্ত্রী। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের মোজাফফরপুর এলাকা থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

নীলার পারিবারিক সুত্রে জানাগেছে, ৯ বছর পূর্বে সম্পর্কের মাধ্যমে নীলাকে বিয়ে করে রুবেল। এতে নীলার পরিবারের সম্মতি ছিলো না। তাদের মধ্যে প্রায় সময় দাম্পত্য কলহ লেগে থাকতো।

কিছুদিন আগে পরকিয়া প্রেম করে মির্জাপুর ইউনিয়নের চা দোকানের কর্মচারী রহিমের (৩৫) সাথে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চৌধুরীহাট বণিক পাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে তার স্বামী রুবেল। এক পর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে আত্মগোপণে চলে যায় নীলা। পরে সকালে মসজিদের বড় পুকুরের উত্তরের পাড়ে জারুল গাছের সাথে গলায় শাড়ি পেঁছানো ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে ফটিকছড়ি উপজেলায় আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. আনোয়ার হোসেন (২৪) উপজেলার মধ্যম কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মফজল আহমদের ছেলে।

স্থানীয় থানা সুত্রে জানা যায়, আনোয়ার হোসেন কুয়েত গিয়েছিলেন। মাস খানেক থাকার পর কিছুদিন আগে সেখান থেকে ফিরে আসেন। ঝগড়া করে তিন-চারদিন আগে আনোয়ার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। মঙ্গলবার বিবিরহাটের গ্রিন হাউজ হোটেলে একটি কক্ষ ভাড়া নেন।

বৃহস্পতিবার ডাকাডাকি করেও তার সাড়া না পেয়ে হোটেলের কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। ধারণা করা হচ্ছে সে আত্মহত্যা করেছে।

মন্তব্য করুন

comments