X

নগরীতে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ০১ সদস্য গ্রেপ্তার

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন ১৩ নং লালদিঘীয়ার চর, লামার বাড়ি হতে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ০১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিএমপি’র সদরঘাট থানা পুলিশ।রিকশায় চড়ে রাতভর এই চক্রটি নগরীতে ছিনতাই করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মো. শফিক (৪০) নামের এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারের পর চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে।

গ্রেপ্তার শফিক চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার প্রেমাশিয়া এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে। বর্তমানে তিনি পতেঙ্গা থানার লালদিয়ার চর এলাকার লামার বাড়ির বাসিন্দা।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, সদরঘাট এলাকার বাসিন্দা মাহতাব উদ্দিন ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে বাসায় ফেরার পথে আইস ফ্যাক্টরি রোডে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন।ছয়জন মিলে তার রিকশার গতিরোধ করে। একজন রিকশা ওঠে এবং বাকিরা মাহতাবের রিকশাটিকে দুটি রিকশা দিয়ে ঘিরে রাখে।ছুরির ভয় দেখিয়ে মাহতাব উদ্দিনের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয়।”

এ ঘটনায় সদরঘাট থানায় মামলা হওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশের একটি দল। শনিবার রাতে নগরীর লালদিয়ার চর এলাকা থেকে শফিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা শাহ মো. আব্দুর রউফ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, তারা ৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর দল। তাদের পূর্ব পরিচিত ২টি রিক্সা সহ ২জন ড্রাইভার আছে। প্রতি রিক্সায় ২জন করে উঠে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত গোটা শহরে ঘুরে ঘুরে রিক্সার যাত্রীদের সব কেড়ে নেয়।তারা প্রথমে রিক্সার গতিরোধ করে এরপর রিক্সার যাত্রী ১জন থাকলে ছিনতাইকারীদের ১জন যাত্রীর পাশে বসে কোমরে থাকা খেলনার পিস্তল দেখায়, অপর ৩জন যাত্রীর রিক্সার পার্শ্বে দাঁড়ায়। তখন যাত্রীর কাছ থেকে টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। তারা অসংখ্য ছিনতাই করেছে বলে স্বীকার করেছে। ইতিপূর্বে তাদের সবাই একাধিকবার সিএমপি’র বিভিন্ন থানায় গ্রেফতার হয়েছিলো।

নেভাল রোড, সার্সন রোড, ফিরিঙ্গি বাজার, আইস ফ্যাক্টরি রোড ও মেরিন ড্রাইভ সড়কে চক্রটি সক্রিয় বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে শফিক।এই উপায়ে তারা ইতিমধ্যে নগরীতে বেশ কিছু ছিনতাই করেছে।

গ্রেপ্তার শফিক রোববার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

comments