বর্ষা শুরুর আগে ১৬ খাল সংস্কার

29
শেয়ার

আগামী তিনমাসের মধ্যে দিনরাত কাজ করে খাল খনন ও সংস্কারের মাধ্যমে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেয়ার নির্দেশনা দিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। মনিটরিং কমিটির সভার সভাপতি মোশাররফ বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমে মানুষকে যাতে পানির মধ্যে সাঁতার কেটে, নৌকা নিয়ে চলতে না হয়, সেজন্য বৃষ্টি শুরুর আগে ১৬টা খাল সংস্কার করতে চাই। খালগুলো পরিষ্কার করা হবে এমনভাবে যাতে পানি দ্রুতবেগে নেমে যায়। আগামী তিন মাসে এটা সম্ভব হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান জলাবদ্ধতা থেকে শহরের মানুষকে মুক্তি দিতে। এজন্য তিনি প্রাথমিকভাবে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

রবিবার চউকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের মনিটরিং কমিটির প্রথম সভায় তিনি সভাপতিত্ব করেন।সভায় মোশাররফ এই তথ্য দিয়েছেন।

সভায় আরএস জরিপের ভিত্তিতে খালের সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসাথে চলমান বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যেন ওভারল্যাপিং না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

প্রকল্পের মেয়াদ শুরুর আট মাস পর চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান কাজ শুরু করতে যাচ্ছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। প্রাথমিকভাবে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে তিন মাসের মধ্যে নগরীর ১৬টি খাল সংস্কারের সব প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। সরকার ইতিমধ্যে ১৬টি খাল সংস্কারের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ টাকার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোন আবেদন করতে হয়নি। তিনি প্রকৃত অর্থেই যে চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছেন এটা তারই প্রমাণ।

সমন্বয় সভায় তথ্য প্রকাশ করে বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খাল পরিকল্পিতভাবে পুনঃখনন, সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কথা থাকলেও সামনের বর্ষায় নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা সহনীয় রাখতে প্রথম পর্যায়ে ১৬টি খালের কাজ শুরু হচ্ছে।

‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পের’

নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচাতে সেনাবাহিনী, সিডিএ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, পিডিবি, কর্ণফুলী গ্যাস কর্তৃপক্ষ বন্দর, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন।

সভায় শুরুতে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, আমরা দেখেছি গত বর্ষায় নগরীর হালিশহর, আগ্রাবাদ, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, দেওয়ানবাজার, সাব এরিয়া, বৃহত্তর বাকলিয়া, চকবাজার, মুরাদপুর, শুলকবহর, বহদ্দারহাট ও জিইসি মোড় ও প্রবর্ত্তক মোড় এলাকায় বেশি জলাবদ্ধতা হয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে যে ১৬টি খাল চিহ্নিত করেছি, সেগুলো সংস্কার হলে এসব এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে কিছুটা মুক্ত হবে। মেগা প্রকল্পের (৫ হাজার ৬শ কোটি) আওতায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে ১৬ খালের খনন কাজ শুরু করবে সেগুলো হচ্ছে, চাক্তাই খাল, বির্জা খাল, রাজাখালী খাল–১, রাজাখালী খাল–২, রাজাখালী খাল–৩, মির্জা খাল, হিজরা খাল, মহেশখাল, মরিয়মবিবি খাল, কলাবাগিচা খাল, ডোমখাল, চাক্তাই ডাইভার্সন খাল (বাকলিয়া খাল নামেও পরিচিত), বামুনশাহী খাল (কোদালাকাটা খাল, কাটা খাল, সানাইয়া খাল, মধুছড়া খালও বামুনশাহী খালের অর্ন্তভুক্ত), নোয়া খাল (বাইজ্জা খাল ও বালু খাল নামেও পরিচিত), নাছির খাল এবং খন্দকিয়া খাল।

তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার প্রকল্পটি ২০১৭ সালে একনেকে পাস করে বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিডিএকে। সেনাবাহিনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সিডিএকে সহযোগিতা করবে। ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদকাল ধরা হয়। প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর জন্য আট মাস ধরে প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়ার পর দৃশ্যমান কাজে হাত দেওয়া হচ্ছে বলে সভায় জানিয়েছেন সিডিএ চেয়ারম্যান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ খন্দকার বলেন, ৫শ’ কোটি টাকার জিও হবার আগের রাতে (রাত ১টায়) সিডিএ চেয়ারম্যান আমার সাথে যোগাযোগ করেছেন। পরেরদিন সকালে মন্ত্রী মহোদয় অফিসে আসার সাথে সাথেই ৫শ কোটি টাকার জিও হয়ে গেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫শ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে দিলেন। এক্ষেত্রে তিনি সিডিএ চেয়ারম্যানের আন্তরিকতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজাউল মজিদ বলেন, খাল ১৬টা খনন হবে না ১০টা হবে তা এখানে বসে বলার বিষয় নয়। খননের বিষয়টি একান্তই টেকনিক্যাল। সুতরাং টেকনিক্যাল লোকদের নিয়ে বসে এ ব্যাপারে গোছানো সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি। জলাবদ্ধতা সহনীয় পর্যায়ে রাখতে দ্রুত কাজ শুরু করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, আগামী বর্ষা মৌসুমে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ফল চাই।

বন্দরের সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, ১৬ খাল খনন কিংবা সংস্কার এখনি সব সমাধান দিয়ে দেবে তা কিন্তু নয়। খাল সুইস গেইট বাঁধ নিয়ে বির্তক নতুন নয়। সবকিছুর সমন্বয়ে এবং সবাইকে সম্পৃক্ত করে কম্প্রিহেনসিভলি আমাদেরকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, ১৬টি খাল খনন হবে নাকি আরো কমবেশী হবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে আমরা নগরবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে দ্রুতকাজ শুরু করতে চাই। জনপ্রতিনিধি ও স্টেকহোল্ডারদেরকে নিয়েই আমরা কাজ করতে চাই।

ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, নগরীর খালগুলোর ব্যাপারে আমাদের পরিপূর্ণ স্টাডি রয়েছে। খালের জন্ম থেকে একেবারের এ পর্যন্ত প্রতিটি বিষয় কেন্দ্রিক এ স্টাডি। সুতরাং এক্ষেত্রে সময়ক্ষেপন না করে দ্রুত কাজ শুরু করে দিতে হবে। সার্ভেও আমাদের করা আছে। চাইলে আমরা কালকেও কাজে নেমে যেতে পারি।

সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, পানিকে চাকতাই খালে নামার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। জিইসি, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাট মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার স্পটভিত্তিক সমাধান দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, খালের উপর কিংবা খালেরপাড়ে অসংখ্য স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এক্ষেত্রে জনসচেতনতাই দায়ী। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব বলেন, সংস্কারযোগ্য খাল দ্রুত সংস্কার করতে হবে। সবাইকে নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

এ সময় সিডিএ সচিব আবদুচ ছালাম বলেন, নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তিনি আরো বলেন, আরএস জরিপের উপর ভিত্তি করে খালের জায়গা নির্ধারণ করা জরুরি। এসময় জাফর আলন বলেন, বিএস জরিপ মূলে এটা হতেই পারেনা। আরএস ধরেই এ কাজটা করতে হবে। মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন বলেন, স্থাপনা অবৈধ হলে উচ্ছেদের আগে নোটিশ দেয়ার দরকার কি?

এটা নির্বাচনের আগের প্রজেক্ট। এ প্রজেক্টের কাজের সাথে সরকারের সুনাম দুর্নামের বিষয় জড়িত। সুতরাং প্রজেক্ট নিয়ে কোন গন্ডগোল নয়।

তিনি আরো বলেন, দরিদ্রদের জন্য ১০ হাজার এপার্টমেন্ট ঢাকায় করছি। চট্টগ্রামেও করা হবে। শুধু জায়গা দেখিয়ে দেন। মানুষ কেন পাহাড়ে থাকবে? আমরা গিয়ে পাহাড় থেকে মানুষ নামিয়ে নিয়ে আসি। আর আদালততো আছে স্টে অর্ডার দেয়ার জন্য।

তিনি চট্টগ্রাম শহরের পরিবেশ প্রসঙ্গে বলেন, এ ধরনের নোংরা শহরে আমরা থাকতে চাই না। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে মানুষ থাকতে চায়। তিনি বলেন, ঢাকায় সরকারি কর্মকর্তা ও ওয়ার্কারদের জন্য এপার্টমেন্ট নির্মাণ করছি। সবখানেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নিশ্চিত করেছি। যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঠিকভাবে হয়। এ শহরকে সাজাতে দ্রুত মাস্টারপ্ল্যান করেন। থাকলে রিভাইজড করেন। সিডিএ তদারকি সংস্থা হিসেবে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কাজ হচ্ছে না কিনা তদারকি করবে। মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, আরএস জরিপ ধরেই খালের সীমানা নির্ধারণ করা হবে।

বন্দরের নাব্যতা নিয়ে জাফর আলম বলেন, ১৯৭৫ সালে ৭.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ প্রবেশ করানো যেত। বর্তমানে ৯.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়ানো যায়। সদরঘাট থেকে বাকলিয়া পর্যন্ত ২৪৩ কোটি টাকার ড্রেজিং কার্যক্রম এ মাসেই শুরু হবে। এ কার্যক্রমের সবচেয়ে বেশী সুফল পাবে নগরবাসী।

এসময় সিডিএ চেয়ারম্যান বন্দরের কাছে থাকা ১৬ কোটি টাকার ড্রেজার সিডিএ’র কাজে ব্যবহারের অনুমতি চাইলে বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ সহায়তার জন্য যেকোন সময় প্রস্তুত বলে জানান।

সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান প্রস্তাব দেন, নগরীর খালগুলোর সীমানা আরএস মূলে নির্ধারণ করে তারপর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে নামবে। এই প্রস্তাব সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। সভায় চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন) জাফর আলম বলেন, ১৬টি খাল খনন করা হবে সেটা ঠিক আছে। তবে এটাই স্থায়ী সমাধান নয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের হাইড্রোগ্রাফার হাবিবুর রহমান পরামর্শ দেন, প্রতিটি খাল পুনঃখনন কিংবা সংস্কারের পর যেন প্রবেশমুখে প্রতিবন্ধকতা দেওয়া হয়। না হলে আবর্জনা কর্ণফুলীতে পড়ে নদী ভরাট হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

চসিকের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মা. মহিউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, চাক্তাই খাল, মহেশ খালের আবর্জনা পরিষ্কার করলেই জলাবদ্ধতা যাবে না। মানুষকে সচেতন করতে হবে। মানুষ যেন খালের মধ্যে আবর্জনা না ফেলে সেটা দেখতে হবে।

খালের মধ্য থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য সাতদিন আগে নোটিশ দিতে হবে বলে সভায় বলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য জাফর আলম। সভায় উপস্থিত নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মাসুদ–উল–হাসান এই বক্তব্য প্রসঙ্গে বলেন, নোটিশ দিলে তারা হাইকোর্টে যাবে।

সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী একেএম সামছুল করিম জানান, তারা কর্ণফুলী নদীর পাড় ঘেঁষে ২৩টি সুইসগেট নির্মাণের প্রকল্প নিয়েছে। এতেও চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা কমবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন– সিডিএ, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড যারাই জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্প হাতে নেবে, তার তদারক হবে এই মনিটরিং কমিটি থেকে। মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মনিটরিং করবেন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দকার বলেন, প্রকল্প যারাই বাস্তবায়ন করুক, মনে রাখতে হবে এটা সরকারি কাজ। এই কাজের মালিক সরকার। সুতরাং কাজের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। সংস্থাগুলোর মধ্যে কোন সমন্বয়হীনতা দেখতে চাই না।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, পিডিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার সেন, সিডিএ’র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহীনুল ইসলাম খান, প্রকল্প পরিচালক সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মাঈনুদ্দিন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী মো. আল মামুন, সিডিএ’র বোর্ড সদস্য হাসান মুরাদ বিপ্লব, মোহাং জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

comments