X

হাটহাজারীতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে স্কুলছাত্রীকে হত্যাচেষ্টা

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের পর সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্কুলের দপ্তরির বিরুদ্ধে।

রোববার (১১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দপ্তরি আপন চন্দ্র মালীকে(৫০)।

ওই ছাত্রীর চাচা জানান, কাটিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে তার ভাতিজি। আর ভাইপো পড়ে পার্শ্ববর্তী কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে।

দুপুরে তার ভাতিজি এক বান্ধবীকে নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া বড় ভাইকে খাবার দিতে গেলে দপ্তরি আপন দুলাল তাকে স্কুলের দোতালায় নিয়ে যায় এবং তার বান্ধবীকে চলে যেতে বলে।

ছাত্রীর চাচা জানান, তার ভাতিজি ফিরে না আসায় স্কুলের শিক্ষক ও তার বাবা খুঁজতে স্কুলে যায়। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে সেপটিক ট্যাংক থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পেয়ে মেয়েটির বাবা মেয়েকে বাঁচাতে ট্যাংকে নেমে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।

দপ্তরি ছুরি দিয়ে তার কপালে ও কানে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করেছে বলে জানান তার চাচা।

উদ্ধারের পর মেয়েটিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, মেয়েটিকে ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার গলা ও মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে।

কাটিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মকসুদ আহমদ বলেন, আমরা দোষী দপ্তরি আপন চন্দ্র মালীকে পুলিশে সোপর্দ করেছি। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, অভিযুক্ত দপ্তরিকে আমরা গ্রেফতার করেছি। ধর্ষণ-চেষ্টার একপর্যায়ে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তিনি মেয়েটিকে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

মন্তব্য করুন

comments