চমেকে চুরি করতে চিকিৎসকের বেশে তরুণ তরুণী

380
শেয়ার

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ড থেকে দুই তরুণ-তরুণীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা চিকিৎসকের বেশে চুরি করতে ঢুকেছিলেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ সূত্র জানায়, রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে দায়িত্বরতদের কাছ থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ওই দুজনকে আটক করেন। আটক দুজন হলেন মো. রাজ (১৯) ও ফারজানা আক্তার (২৬)। দুজনই নগরের বায়েজিদ থানার শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকায় থাকেন।

পাঁচলাইশ থানার এসআই নুরুল ইসলাম বলেন, “অ্যাপ্রন পড়ে রোগীদের আশপাশে ঘোরাফেরা করে এবং সুযোগ পেলে মোবাইল চুরি করে বলে জানিয়েছে দুইজন।”

আটক ফারজানা বরিশালের বাকেরগঞ্জ এলাকার শাহরিয়ার মাহমুদের স্ত্রী। আর রাজ চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার নিজামপুর এলাকার মো. জাফরের ছেলে।

আটকের সময় দুজনই চিকিৎসকের অ্যাপ্রোন পরা ছিলেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।

হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন,“৩৩ নম্বর গাইনি ওয়ার্ডের লেবার রুমের কাছ থেকে তাদের আটক করা হয়।তাদের গায়ে অ্যাপ্রন ছিল। সম্ভবত নবজাতক চুরির উদ্দেশ্যে তারা ওই ওয়ার্ডে ঢোকে এবং লেবার রুমে কাছে ঘোরাফেরা করছিল।”

ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, “তিন দিন আগে হাসপাতালের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর কেবিন থেকে এক রোগীর মোবাইল চুরির কথা তারা স্বীকার করেছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই জন জানিয়েছে যখন যা পায় তাই চুরি করে তারা।”

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জালাল উদ্দিন বলেন, ওরা চিকিৎসক সেজে চুরি করতে এসেছিল। এর আগেও তাঁরা হাসপাতাল থেকে মোবাইল চুরি করেছেন বলে স্বীকার করেছে। দুজনকেই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ জানান, হাসপাতালে চুরি করতে গিয়েছিল তাঁরা। দুজনকেই আটক করা হয়েছে।

২০১৫ সালের ১৫ জুলাই চট্টগ্রাম মেডিকেলের ৩৪ নম্বর প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে নবজাতক চুরির অভিযোগে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক ওয়ার্ড বয় ও তার স্ত্রীকে আটক করেছিল র‌্যাব।

এছাড়া ২০০৯ সালের ৮ জুলাই হাসপাতালের শিশু বিভাগ থেকে বাঁশখালীর এক দম্পতির শিশু চুরি হয়।

মন্তব্য করুন

comments