X

জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে ভুল না বোঝার আহ্বান মেয়রের

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জলাবদ্ধতা নিরসন নিয়ে তারা যেন তাকে ভুল না বোঝেন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগরের প্রাকৃতিক খালগুলোর থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র নাছির বলেন, “মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) মাধ্যমে যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে তার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।এ নিয়ে জনগণ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমাকে ভুল বুঝুক তা আমি চাই না। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রাকৃতিক খাল সমূহের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট বক্তব্য প্রয়োজন, যাতে করে এ কার্যক্রমে কোনো ওভারল্যাপিং না হয়।”

সভায় মহানগরীর প্রাকৃতিক খালগুলোর অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, দুই পাশে বেদখল সরকারি জায়গা উদ্ধার, খালগুলো থেকে মাটি উত্তোলন, খাল খনন ও ভরাট করা খালের মাটি-আবর্জনা নিষ্কাশন করে খাল সমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ অব্যাহত রাখা, অবৈধ দখলদারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সভায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, এ এইচ এম সোহেল, নাজমুল হক ডিউক, ইসমাইল বালী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আ জ ম নাছির উদ্দিন সভায় বলেন, চট্টগ্রাম শহর পাহাড়ি এলাকা। এই এলাকার ৪৭ শতাংশ পাহাড় বালু মাটির। তাই বৃষ্টি হলে বালু পানির সাথে নালা-নর্দমা ও খাল ভরাট হয়ে জলজটের সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, করপোরেশন ইতিমধ্যে ১৫টি খাল থেকে মাটি উত্তোলনের কাজ শুরু করেছে। নগরীতে আরো ২২টি শাখা খাল রয়েছে। সবগুলো খাল পরিষ্কার হলে জলাবদ্ধতার স্থায়িত্ব কমবে।

মেয়র খালগুলো থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে সিডিএকে করপোরেশনের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

মন্তব্য করুন

comments