X

আদালতের নির্দেশের পরও উচ্ছেদ হচ্ছে না কর্ণফুলি নদীর দুপাড়ের স্থাপনা

ফাইল ছবি

উচ্চ আদালতের নির্দেশের পর পেরিয়ে গেছে দেড় বছর। কিন্তু এখনও শুরু হয়নি চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর দুপাড়ে গড়ে ওঠা, দুই হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ।

প্রশাসনের দাবি, উচ্ছেদ চালাতে যে অর্থ আর সহায়তা দরকার, তা সরকারের কাছে চাওয়া হয়েছে। সেসব নিশ্চিত না হওয়ায় উচ্ছেদ শুরু করা যাচ্ছেনা। আর নদী রক্ষায় রিটকারি বলছেন, এতদিনেও আদেশ কার্যকর না হওয়ায় তিনি আবারও আদালতের নজরে আনবেন বিষয়টি।

কর্ণফুলীকে গিলে খাচ্ছে নদীর দুপাশে গড়ে উঠা অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। তাতে প্রতিনিয়ত সংকুচিত হচ্ছে দেশের অর্থনীতির হৃৎপিন্ড হিসেবে পরিচিত এই নদী।

প্রশাসনের হিসাবে নদীর দুপাড়ে অবৈধ স্থাপনা আছে ২ হাজার ১৮১টি। যা উচ্ছেদের জন্য ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তাতে বলা হয়, আদেশ পাওয়ার তিনমাসের মধ্যে তা কার্যকরের। কিন্তু, তার কোন অগ্রগতিই নেই।

এ নিয়ে কয়েকটি সমন্বয় সভা হলেও এখন তেমন নড়চড় নেই প্রশাসনের। জেলা প্রশাসকের দাবি, এখনো রায়ের কপি না পাওয়ায় দেরি হচ্ছে আদেশ বাস্তবায়নে।

জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী জানান, “এটার জন্য কিছু প্রক্রিয়া আছে, উচ্ছেদ ব্যয় আছে, সেজন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে তাগিদ দিয়েছি। সেটা পেলে আমরা কার্যক্রম শুরু করব।একটা নোটিশ দিতে হয় গণবিজ্ঞপ্তি আকারে যাবে যেহেতু । কি পরিমান অবৈধ স্থাপনা আছে সংখ্যাটা আমাদের হাতে আছে সেটা সংখ্যায় অনেক বেশী। আশা করি ৬ মাস কিংবা তার আগেই আপনারা এর ফলাফল দেখতে পাবেন।”

তবে কর্ণফুলি রক্ষায় রিটকারী এডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, “উচ্চ আদালত নির্দিষ্ট আকারে নির্দেশনা দিয়েছেন। ছয় মাসের মধ্যে নোটিশ দিয়ে সিটি কর্পোরেশন কি করবে, পোর্ট কি করবে এগুলো সব নির্দেশনা দেয়া আছে এবং রায় হওয়ার সাথে সাথে এগুলো গেছে এবং আমি ব্যাক্তিগত ভাবে রায় প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েছি এতদিনেও রায় কার্যকর না হওয়ার বিষয়টি আমরা আবারও উচ্চ আদালতের নজরে আনবো।

শুধু, অবৈধ দখল নয়ই আদালতের আদেশ অনুসারে কর্ণফুলির দূষণ বন্ধেও নেই কোন পদক্ষেপ।

সৌজন্যেঃ চ্যানেল টুয়েন্টিফোর

মন্তব্য করুন

comments