‘গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে শিশুটিকে’-পুলিশ

183
শেয়ার

চট্টগ্রামের আকবর শাহ এলাকায় নয় বছর বয়সী যে মেয়েটির লাশ পাওয়া গিয়েছিল, তাকে ‘দল বেঁধে ধর্ষণের পর’ হত্যা করা হয় বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

গত রোববার রাতে আকবর শাহ থানার ‘বিশ্বব্যাংক কলোনির’ ছয়তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির পাশ থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করা হয়।তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নখের আঁচড়ের দাগ থাকায় ধর্ষণের সন্দেহের কথা পুলিশ সে সময়ই জানিয়েছিল।

আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ জানান, চট্টগ্রাম নগরী, জেলা ও কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছেন তারা।এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হল। পুলিশ আরও একজনকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বেলাল হোসেন (১৮), রবিউল ইসলাম (১৬), হাসিবুল ইসলাম (২০), আক্কাস মিঞা (১৮), মো. সুজন (২০) ।

আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ জানান, ফাতেমা আক্তার মিম নামের মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তার বাবা মো. জামাল ধোপার কাজ করেন। কনকর্ড সি-ওয়ার্ল্ড এলাকায় রাজা কাশেমের কলোনিতে তাদের বাসা।

এ ঘটনায় মেয়েটির মা সোমবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ভবনের তত্ত্বাবধায়ক মনিরুল ইসলাম ওরফে মনুকে (৪৯) আটক করে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।

আকবর শাহ থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) উৎপল বড়ুয়া জানান, মাদরাসা থেকে বাসায় ফিরে দুপুরে খাওয়ার পর প্রতিদিনের মতো খেলতে বের হয় মিম। খেলা শেষে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ফিরলেও ওইদিন সে বাসায় ফিরেনি। পরে তা মা-বাবা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় লাশটি পাওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, চট্টগ্রামের কর্নেল হাট এলাকা থেকে ফুসলিয়ে শিশুটিকে আকবর শাহ ‘বিশ্ব ব্যাংক কলোনির’ আয়শা মমতাজ মহল নিয়ে আসা হয়। তারপর গণধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়।

ওসি আলমগীর বলেন, “আমরা তদন্ত করে জানতে পেরেছি, মেয়েটিকে গ্যাং রেপের পর হত্যা করা হয়। মনুসহ মোট সাতজন মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।”

মন্তব্য করুন

comments