X

চট্টগ্রামে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে দুর্ভোগে যাত্রীরা

পুলিশের হয়রানি বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছে মেট্রোপলিটন গণপরিবহন বাস মালিক সংগ্রাম পরিষদ। রবিবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা। গণপরিবহন না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।

ধর্মঘটের কারণে নগরীর সবকটি সড়কের মোড়ে মোড়ে যাত্রী সাধারণের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নগরীর চকবাজার সড়কের বাদুরতল, চকবাজার, আন্দরকিল্লা, কাজির দেউড়ি, লালখানবাজার, টাইগারপাস, বহদ্দারহাট, কালুরঘাট বিমানবন্দর সড়কের মুরাদপুর, ষোলশহর, জিইসির মোড়, আগ্রাবাদসহ পুরো নগরীতেই গাড়ির জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা কতে দেখা গেছে।

হঠাৎ পরিবহন ধর্মঘটে দুর্ভোগের সুযোগে প্যাডেলচালিত রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশা চালকরা তিগুন-চারগুন ভাড়া হাঁকাচ্ছেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

অবিলম্বে পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে গণপরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল জানান, গণপরিবহনের সাতটি সংগঠনের মধ্যে ছয়টি এ আন্দোলনের সঙ্গে আছে। লুসাই নামে একটি পরিবহন সমিতি আমাদের আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। লুসাই পরিবহন সংগঠনকে অবৈধ দাবি করে পুলিশ তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ধর্মঘট সম্পর্কে তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট চলবে। দেয়ালে আমাদের পিঠ ঠেকে গেছে। ১১ দফা দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু দাবি আদায় হয়নি। কেউ আমাদের কথা শুনেনি।

সংগ্রাম পরিষদের দাবির মধ্যে আরো রয়েছে, থানায় মাসোয়ারার নামে গাড়ি আটকের প্রতিবাদে, অবৈধ টমটম ও অযান্ত্রিক যানবাহন, ইঞ্জিনচালিত রিকশা করিমন-নছিমন বন্ধ করা, গণপরিবহন শ্রমিকদের ওপর পুলিশের নির্যাতন বন্ধ করা, গণপরিবহন চালকের লাইসেন্সের শর্ত শিথিল করা, যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা, শহর এলাকায় গণপরিবহনের টার্মিনাল ও নির্ধারিত পার্কিং স্থাপন করা, বিআরটিতে দালালের উৎপাত ও যানবাহন চালক-মালিকদের হয়রানি বন্ধ করা।

মন্তব্য করুন

comments