নগরী থেকে মোটরবাইক চোরচক্রের এক সদস্য গ্রেপ্তার

34
শেয়ার

রাস্তায় সাধারণ মানুষের মতো চলাচল করে, সুযোগ বুঝে পার্কিং করা মোটর সাইকেল নিয়ে চম্পট দেয়; নির্জন কোন সড়কে, বাসা-ভবনের সামনে রাখা মোটরসাইকেল দেখলে চুরির জন্য টার্গেট করে। মোটরসাইকেল যেভাবেই তালাবদ্ধ করে রাখা হোক না কেন, স্টিয়ারিংয়ে মোচড় দিলেই সেটি সোজা হয়ে যায়। আর এ কাজে তারা সময় নেয় মাত্র দেড় থেকে দুই মিনিট।

চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের হোতা মো.ফয়সালকে (২৩) গ্রেপ্তারের পর এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

সাতকানিয়ার পুরানঘর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে ফয়সালকে গত (রোববার) রাতে নগরীর শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তার ফয়সাল মোটর সাইকেল চোর চক্রের সদস্য। আগে থেকে খবর পেয়ে রোববার রাতে শাহ আমনত সেতু এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

“পরে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা এলাকায় ফয়সালের সহযোগী টিটুর বাড়ি থেকে দুইটি চোরাই মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।”

ওসি প্রণব জানান, টিটুর বাড়ি থেকে মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হলেও সে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

ফয়সাল পুলিশকে জানায়, আগে তারা টার্গেট করে মোটর সাইকেল চুরি করলেও এখন তা করে না। রাস্তায় ঘোরাফেরা করার সময় সুবিধাজনক কোনো স্থানে মোটর সাইকেল দেখলে তা চাপ দিয়ে স্টিয়ারিং ভেঙে ফেলে। সেখান থেকে বের হওয়া তার দিয়ে তা চালু করে চালিয়ে চলে যায়।

এভাবে একটি মোটর সাইকেল চুরি করতে তাদের মাত্র দেড় থেকে দুই মিনিট সময় লাগে বলে পুলিশকে জানিয়েছে ফয়সাল।

ওসি প্রণব বলেন, এ চক্রের সাথে রাউজান, ফটিকছড়ি, বোয়ালখালী, হাটহাজারি ও নগরীর কয়েকজন জড়িত আছে। তারা চোরাই মোটর সাইকেলগুলোর পার্টস পাল্টে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকায় বিক্রি করে।

ফয়সাল পুলিশকে আরও জানান, কয়েকবছর আগে হাটহাজারি উপজেলার খোকন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে মোটর সাইকেল চুরির প্রশিক্ষণ নেন তিনি; তারপর থেকেই পেশাদার মোটর সাইকেল চোর হয়ে ওঠেন।

খোকন বর্তমানে সৌদি প্রবাসী বলে দাবি করেছে ফয়সাল।

মন্তব্য করুন

comments