আল্লামা তাহের শাহ চট্টগ্রামে

373
শেয়ার

আনজুমান–এ–রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম ও ঢাকায় আসন্ন পবিত্র জশ্নে জুলুসে ঈদ- এ- মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুলুস ও মাহফিলে নেতৃত্বদানের লক্ষে আওলাদে রাসুল, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ ,শাহাজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ ও শাহাজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ্ দোহা থেকে বাংলাদেশ বিমানযোগে শনিবার বন্দরনগরী চট্রগ্রামস্থ হযরত শাহ আমানত (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরন করেন এবং সফরসঙ্গী হিসেবে সাথে আসেন আনজুমান ট্রাস্ট’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ মোহাম্মদ মহসিন।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন আনজুমান ট্রাস্ট’র সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ মোহাম্মদ সিরাজুল হক, এসিসটেন্ট জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ এসএম গিয়াস উদ্দিন শাকের, গাউসিযা কমিটি বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান আলহাজ পেয়ার মোহাম্মদ, পিএইচপি ফ্যামেলির চেয়ারম্যান আলহাজ সুফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় পর্ষদ, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, সদস্যবৃন্দ।

এদিকে মহানবী (স.) জন্মদিবস উপলক্ষে ১২ রবিউল আউয়ালে ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সামনে থেকে এবারো জশনে জুলশ বের করবে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। জুলুশে নেতৃত্ব দেবেন আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ তাহের শাহ। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার দুপুরে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় লিখিত বক্তব্যে পিএইচপি ফ্যামিলির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জশনে জুলুশ মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক আমির হোসেন সোহেল বলেন, ১৯৭৪ সালে জশনে জুলুশের প্রবর্তন করেন কাদেরিয়া তরিকার মহান দিকপাল এবং সংস্কারক ব্যক্তিত্ব আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মোহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)। ধারাবাহিক ভাবে ১৯৮৭ সাল থেকে সৈয়্যদ মোহাম্মদ তাহের শাহর তিন দশকের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের ১২ রবিউল আউয়ালের জুলুশ হিসেবে খ্যাতি পাওয়া পবিত্র জশনে জুলুশ সারাদেশে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেশের সচেতন বিজ্ঞ মহলের মতে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট আয়োজিত চট্টগ্রামের জুলুশটিই বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জশনে জুলুশের অনুষ্ঠান। এ জুলুশে অন্তত ৪০ লাখ মানুষের সমাগম হয় বলে বিভিন্নভাবে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জশনে জুলুশকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে বিশ্বদরবারে চট্টগ্রামের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারণ এটি বিগত ৪২ বছরের ঐতিহ্য। এতে লাখ লাখ মানুষের স্বতঃস্ফ‚র্ত অংশগ্রহণের কারণে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে শুরু হওয়া একটি কালচার আজ সারাদেশে সমাদৃত। এমন একটি আয়োজন চট্টগ্রামে না হয়ে অন্য কোথাও হলে এতদিনে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করত মন্তব্য করে আমির হোসেন বলেন, কেবল চট্টগ্রামে হওয়ার কারণেই অবহেলিত রয়ে গেছে।

মন্তব্য করুন

comments