X

ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১০

নগরীর গোলপাহাড় এলাকায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ৮ শিক্ষার্থীসহ মোট ১০ জন আহত হয়েছে।

গতকাল রাত ১০ টার পর মেট্রোপলিটন হাসপাতালের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর বিক্ষুব্ধদের একাংশ রাস্তায় মিছিল করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় গোলপাহাড় মোড়, ওআর নিজাম রোড ও সন্নিহিত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীদের সঙ্গে ওমর গণি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আশরাফ নামে এক চিকিৎসকের সঙ্গে মেডিকেলের তিন ছাত্রের ঝামেলা হয়েছিল। তা থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেলের ছাত্রলীগকর্মীরা দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মেট্রোপলিটন হাসপাতালে আসে, তখন এই এলাকায় থাকা এমইএস কলেজের ছাত্রলীগ কর্মীরা তাদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষকে মারামারি করতে দেখা যায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় হাসপাতালের বাইরে সাজানো কয়েকটি ফুলের টবও ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, সংঘর্ষে মেডিকেলের ১০ ছাত্র আহত হয়েছে। তার মধ্যে ৫ জনের অবস্থা গুরুতর।

চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম বলেন, মারামারির পর দুই গ্রুপ পাল্টাপাল্টি মিছিল বের করেছে।

চকবাজার থানার ওসি নুরুল হুদা বলেন, “আশরাক নামে মেট্রোপলিটন হাসপাতালের এক চিকিৎসকের সঙ্গে মেডিকেলের তিন ছাত্রের ঝামেলা হয়েছিল। তা থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত।”

আহতদের মধ্যে আটজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্র। তারা চট্টগ্রামে মেডিকেলেই ভর্তি হয়েছেন।

আহত অন্য দুজন মহানগর ছাত্রলীগের উপসম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন সানি, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুম বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তারা আইসিইউতে রয়েছেন বলে হাসপাতালে যোগাযোগ করে জানা যায়।

 

 

মন্তব্য করুন

comments