অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা ছড়িয়ে পড়ছে চট্টগ্রামের গ্রামাঞ্চলে

75
শেয়ার

শহরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তত্পরতার কারণে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীরা শহর ছেড়ে এখন উপজেলা পর্যায়ে আস্তানা গাড়ছেন। তুলনামূলক বেশি নিরাপদ হওয়ায় তারা গ্রামাঞ্চলকে বেছে নিচ্ছেন।

সম্প্রতি র‍্যাবের অভিযানে তিন ভিওআইপি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়। গ্রেফতারকৃত তিন ভিওআইপি ব্যবসায়ী হলেন— ফটিকছড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. সালাউদ্দিন (৩৩), একই এলাকার মো. ইমন উদ্দিন (২১) এবং হাটহাজারী উপজেলার মো. আবু তালেব (২৫)। তাদের মধ্যে সালাউদ্দিনকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর খুলশী ও বায়েজিদ থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

অবৈধ ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) ব্যবসায়ীরা শহর ছেড়ে এখন উপজেলা পর্যায়ে স্থানান্তরিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। ভিওআইপি সামগ্রীসহ তিন ব্যবসায়ী গ্রেফতার পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানান র্যাবের উপপরিচালক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান।

অভিযানে ১০টি চ্যানেল ব্যাক/গেটওয়ে, দুটি ফ্লেক্সিলোড সার্ভার, ছয়টি টিপি লিংক রাউটার, একটি ডি-লিংক রাউটার, চারটি পেনড্রাইভ, ১২টি ইন্টারনেট মডেম, আটটি ল্যাপটপ, ১৩৯টি জিএসএম এ্যান্টিনা, ১২টি মোবাইল সেট, বিভিন্ন কোম্পানির ৮ হাজার ৮১৬টি সিমকার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত ভিওআইপিসামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ টাকা। গ্রেফাতারকৃত তিন আসামি এবং উদ্ধারকৃত ভিওআইপি মালামাল টেলিযোগাযোগ আইন-২০০১ মোতাবেক বায়েজিদ বোস্তামি ও ফটিকছড়ি থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্তব্য করুন

comments