আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নীচে নাগরিক সুবিধাসহ সবুজায়নের পরিকল্পনা

178
শেয়ার

চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় উড়ালসড়ক আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচের অংশে সৌন্দর্যবধর্ণের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ।

একই সাথে পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারের নাগরিক সুবিধাসহ তৈরি করা হচ্ছে সবুজায়ন। তবে উদ্যোগ যেন বাণিজ্যিক হয়ে না যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার পরামর্শ নাগরিকদের।

৫.২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত এই ফ্লাইওভার আপাতত যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলেও এটি পূর্ণাংগ রূপ পাবে আগামী বছরের জুন মাসে। এর আগে চালু হওয়া বাকি দুটি ফ্লাইওভারের নিচের অংশ অব্যবহৃত থেকে গেলেও দীর্ঘ এই উড়ালসড়কটিকে ঘিরে এবার নতুন চিন্তা সিডিএ’র। সিডিএ বলছে, এই ফ্লাইওভারের নীচের অংশে প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে পিলারের মাঝখানে খালি জায়গায় সবুজায়নসহ বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আবদুচ সালাম বলেন, ‘ফ্লাইওভারের নীচের যে জায়গাটি আছে এটাকে কাজে লাগানোর অনেক সুযোগ রয়েছে।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তারা সেটি কাজে লাগিয়েছে। এখানে সবকিছু সম্পৃক্ত করা হবে অর্থাৎ পাবলিক সার্ভিস যেগুলো বলি আমরা নগরীর সার্ভিস যেমন প্রয়োজন তেমনি সৌন্দর্য ও প্রয়োজন, সবকিছুর সমন্বয় করেই একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’

সিডিএর এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন নগরবিদরা। তবে নাগরিকদের সুবিধা দেওয়ার নামে সবুজনায়নের চেয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম যেন বেশি গুরুত্ব না পায় সেদিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন নগরবিদ স্থপতি আশিক ইমরান।

তিনি বলেন, ‘নান্দনিকতা এবং বাণিজ্যিক ব্যবস্থা দু’টির যেনো সহাবস্থানে এবং সহনীয় পর্যায়ে থাকে সেটি আমরা আশা করবো।আমাদের যে তিক্ত অভিজ্ঞতা আমরা সবসময় বাণিজ্যটাকেই বেশী প্রাধাণ্য দেওয়ার ফলে নান্দিকতা,সবুজায়ন এবং সুস্থ পরিবেশ সেটা একসময় হারিয়ে যায়। আমরা আশা করব এসব বিষয় মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হবে।’

ফ্লাইওভারের নীচে সৌন্দর্য বর্ধনসহ অন্য স্থাপনা তৈরির পর তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সিডিএ।

মন্তব্য করুন

comments