X

ছাড়া পেলো আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল আলম

আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর এক যুবককে গুলি করার ঘটনায় গ্রেপ্তার উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল আলমকে নগরীর কোতয়ালী থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জয়নাল আবেদিন নামে এক যুবলীগ নেতার পায়ে গুলি করে শনিবার রাত ১২টার দিকে মদ্যপ অবস্থায় মঞ্জুরুল পুলিশের হাতে আটক হন।

রোববার (২২ অক্টোবর) দুপুরে জয়নাল আবেদিনের ভাই চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য এস এম আলমগীর মামলার এজাহার থানায় জমা দেন। তবে সেটি পুলিশ মামলা হিসেবে রেকর্ড না করে রেখে দেয়।

কোতয়ালী থানার ওসি মো.জসিম উদ্দিন বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। বাদি মামলার এজাহার প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রাত ৯টার দিকে মঞ্জুরুল আলমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে,অফিসার্স ক্লাবের ভেতরে কথা কাটাকাটির পর বের হয়ে মঞ্জুরুল এবং জয়নাল ঝগড়া শুরু করেন। এক পর্যায়ে মঞ্জুরুল তার পিস্তল বের করে জয়নালকে গুলি করেন।গুলিবিদ্ধ মো. জয়না্লের বড় ভাই আনোয়ারা উপজেলা থেকে নির্বাচিত চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য এস এম আলমগীর।পরে রাত ১২ টার দিকে নগরীর আউটার স্টেডিয়াম সংলগ্ন অফিসার্স ক্লাবের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

মঞ্জুকে আটকের খবর পেয়ে সকাল ৮টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত নগরীর অক্সিজেন থেকে হাটহাজারী পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে অবরোধ করে তার অনুসারী দলীয় নেতা-কর্মীরা।সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে মিছিল সমাবেশ করে তারা। বেলা ১টার দিকে পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মঞ্জুরুল আলম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব। জয়নাল আবেদিন আনোয়ারা উপজেলা যুবলীগের সদস্য এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের ঘনিষ্ঠজন।অফিসার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্বও তিনি পালন করছেন।

মন্তব্য করুন

comments