“আইন ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নই”-মেয়র নাছির

30
শেয়ার

নির্বাচিত মেয়র হিসেবে আইন ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর) নগর ভবনের কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে ‘সিটি করপোরেশনের অধিক্ষেত্রে ইমারত ও জমির পঞ্চবার্ষিক মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলনে মেয়র এ মন্তব্য করেন।

গৃহকর অ্যাসেসমেন্ট নিয়ে সাবেক দুই মেয়র, ২৩ কাউন্সিলরের চিঠি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠনের প্রতিবাদ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মেয়র বলেন, পরিস্থিতি, প্রেক্ষাপট, দৃষ্টিভঙ্গি, ব্যক্তিগত রুচি পরিবর্তন হয়েছে। দেশে ক্রমে আইনের প্রয়োগ ও প্রতিফলন হচ্ছে। আইন কথা বলা শুরু করেছে। আমরা কেউ আইন ও জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নই।

তিনি বলেন, ২৭ শতাংশের জায়গায় আমরা চসিকে ১৭ শতাংশ হোল্ডিং ট্যাক্স, রেইট ধার্য করেছি নগরবাসীর প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে। আমি আইন তৈরি করিনি যে আমি সংশোধন করতে পারব।

তিনি বলেন, নগরবাসী একটু চিন্তা করলেই পরিবর্তন আনা সম্ভব।চসিকে ১নং ওয়ার্ড ব্যতীত অন্যসব ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্নের আওতায় আনা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতার কাজ অব্যাহত রয়েছে। আমরা তখনই নগরবাসীকে সকল সেবা নিশ্চিত করতে পারবো যখন আমাদের ভিত্তি মজবুত হবে। তাই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নগরবাসী এগিয়ে আসলে কর্পোরেশনের উন্নয়ন করা সম্ভব।

মেয়র বলেন, বর্তমানে অ্যাসেসমেন্ট হতে নতুন হোল্ডিংয়ের বিপরীতে ধার্যকৃত কর ও রেইট বাদ দিলে মোট দাবীর পরিমাণ প্রায় ৮০৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ পূর্বের অ্যাসেসমেন্ট তুলনায় বর্তমানে দাবীর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৪ গুণ। নগরবাসীর সুবিধার্থে পূর্বের ন্যায় ১৭% ও কোন কোন ওয়ার্ডে ১৪% কর আদায় করার সিদ্ধান্ত অব্যাহত রেখেছে। ১৯৯৪-১৫ সন পর্যন্ত কর ও রেইট আদায় ২১.১৫ ভাগ। দায়িত্ব নেওয়ার ২ বছরে আদায় ৩১.৫০ ভাগ।

তিনি বলেন, সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি, সময়োপযোগী দাবি। বিগত সময় যারা মেয়র ছিলেন তারা বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন। মেয়রের চেয়ারে যারাই বসেছেন সবাই একই কথা বলেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, ইসমাইল বালি, শৈবাল দাশ সুমন, আবিদা আজাদ প্রমুখ।

মন্তব্য করুন

comments