সীতাকুণ্ডে বিয়ের সাত মাসের মাথায় গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

100

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিয়ের সাত মাসের মাথায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে।

রোববার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের হেদায় নগরে শ্বশুরবাড়িতে শান্তা রানী নাগ (১৯) নামে এই গৃহবধূর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় পুলিশ তার স্বামী জিকু কান্তি দে কে আটক করেছে।

শান্তা রানী নাগ সিতাকুন্ড উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোট কমলদহের বাসিন্দা সঞ্জয় নাগের মেয়ে।

শান্তার পরিবারের দাবি তার মেয়েকে শশুর বাড়ির লোকজন নির্যাতন চালিয়ে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে। অপরদিকে শশুর পরিবারের দাবি শান্তা নাগ নিজেই ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ৭ মাস আগে এই বছরের ১লা ফেব্রুয়ারি পারিবারিকভাবে শান্তার সঙ্গে জিকুর বিয়ে হয়।

বিয়ের পর কিছুদিন ভালোভাবে সংসার চললেও কিছুদিন ধরে যৌতুকসহ নানা কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন শান্তাকে নির্যাতন করে আসছিল বলে অভিযোগ শান্তার পরিবারের।

শান্তার পরিবার জানায়,শান্তার মৃত্যুর খবর তার বাবার বাড়িতে দেওয়া হয়নি।রোববার সকালে শান্তা আত্মহত্যা করেছে এমন খবর পেয়ে শান্তার মা বাবা ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পান মেয়ের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে শান্তার স্বামীকে গ্রেফতার করে।

সীতাকুন্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার হাসান জানান, আমরা ঝুলন্ত অবস্থায় শান্তা নাগ নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছি। শান্তা নাগের বাবা মা বলছেন তাকে হত্যা করে মরদেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছেন শান্তা আত্মহত্যা করেছেন। আমরা আসল ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য শান্তার মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মূল ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারবো।

শান্তার বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ পেয়ে জিকুকে আটক করা হয় বলে জানান ওসি।

মন্তব্য করুন

comments