চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ও যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগে ৩ ফার্মেসিকে জরিমানা

271
শেয়ার

নগরীর অলংকার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের চালানো এক অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ভেজাল ওষুধ বিক্রির অপরাধে তিনটি ফার্মেসিকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার এসব ওষুধের দোকানগুলোয় অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন।

এসব দোকানে বিক্রি হচ্ছিল নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ওষুধসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ও লেবেলবিহীন ভেজাল ওষুধ।ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনটি ফার্মেসিতে এরকম ওষুধ পাওয়া যায়।
এসব অনুমোদনহীন ওষুধ এবং ডাক্তারদের জন্য স্যাম্পল হিসেবে তৈরি করা নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির অপরাধে ড্রাগ আইন ১৯৪০ এর আওতায় জরিমানা করা হয় বলে জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন।

এর মধ্যে মা ফার্মেসিকে পাঁচ হাজার, জনতা ফার্মেসিকে ১০ হাজার এবং সৌদিয়া ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া অভিযানে প্রসিকিউশন হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম ওষুধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক মোজাম্মেল হোসেন এবং শফিকুর রহমান।

তিনি সমকালকে জানান, নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক, মেয়াদউত্তীর্ণ, লেবেলবিহীন ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধ এবং ডাক্তারদের জন্য স্যাম্পল হিসেবে তৈরি করা বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির কারণে ফার্মেসিগুলোকে এ জরিমানা করা হয়।
প্রসিকিউশন হিসেবে অভিযানে ছিলেন চট্টগ্রাম ওষুধ প্রশাসনের তত্বাবধায়ক মোজাম্মেল হোসেন এবং শফিকুর রহমান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন জানান, অভিযান চালানোর সময় দেখা যায়, সৌদিয়া ফার্মেসি নামের একটি ফার্মেসিতে বিপুল পরিমাণ লেবেলবিহীন ওষুধ মজুদ করা আছে। যেগুলোর গায়ে কোনও উৎপাদন তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, কোম্পানির নাম, লোগো, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার কিছুই নেই। এছাড়া তারা বিক্রয় নিষিদ্ধ স্যাম্পল ওষুধ বিক্রি করছিল, আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা তা সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করে। তাদের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং অনুমোদনহীন ওষুধও পাওয়া যায়। এ কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত ফার্মেসিটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

তিনি জানান, জনতা ফার্মেসিতে বিক্রি হচ্ছিল যৌন উত্তেজক নিষিদ্ধ ওষুধ। এগুলো মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্নক ঝুকিপূর্ণ। ওষুধের মোড়কের গায়েই লেখা ৪০ বছরের কম বয়েসিদের সেবন নিষিদ্ধ। এছাড়া তারা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করছিল। এদের ১০হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

তানিয়া মুন জানান, এছাড়া মা ফার্মেসিতে অনুমোদনহীন ওষুধ রাখা এবং ফার্মাসিস্ট না থাকায় ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এবং সকল নিষিদ্ধ, মেয়াদোত্তীর্ণ, লেবেলবিহীন এবং অনুমোদনহীন ওষুধ জব্দ করা হয়।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রসাশনের এ অভিযান চলবে বলেও জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া মুন।

মন্তব্য করুন

comments