ঈদের পর কাঁচাবাজার আবারো লাগামহীন

29
শেয়ার

ঈদ উল আজহার রেশ এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে আবারও বেড়ে চলেছে মাছ-সবজির দাম। ফলে নগরীতে আবারও নিয়ন্ত্রণহীন মাছ ও সবজির বাজার।

যদিও বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের তিনদিন মাছ ও সবজিতে ক্রেতা শূন্য ছিল। কিন্তু ঈদের চতুর্থ দিন থেকে চাহিদা বাড়ায় তাই এই দুটোতে দাম বেড়েছে।

তবে ক্রেতাদের দাবি, কোরবানের ঈদ কোনো বিষয় না, দোকানদাররা যখন তখন ইচ্ছে করেই দাম বাড়ান।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চকবাজার কাঁচাবাজারে টমেটো কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, মরিচ ১৩০ টাকা, বেগুন ও বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ, কাকরোল ও ঝিঙ্গা ৪০ টাকা ও আলু ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অথচ ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত এসব সবজিতে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত কম ছিল বলে সেখানকার দোকানীদের ভাষ্য।

ওই বাজারের মো. আবুল কালাম নামে এক দোকানী বলেন, ‘ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত টমেটো ১০০ টাকা ও বেগুন ৪০ টাকাসহ অন্যান্য সবিজতে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত কম ছিল। কারণ ওই সময়ে সবজির চাহিদা তেমন ছিল না। তাই পঁচে যাওয়ার ভয়ে সবজি ছেড়ে দিতে হওয়ায় দাম তখন কম ছিল।’

এদিকে সবজির সঙ্গে মাছের বাজারেও দাম উর্ধ্বমুখী দেখা গেছে, কাজীর দেউড়ি ও চকবাজারে ইলিশ মাছ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা। অথচ কোরবানের তৃতীয় দিন পর্যন্ত মাছটির দাম ছিল ৪০০ টাকা। এছাড়া রুই মাছ আকারভেদে এখন ৪০০ ও ৭০০ টাকা। ওইসময়ে দাম ছিল কেজিতে ৩৫০ ও ৬০০ টাকার মধ্যে। একইভাবে এখন আইল মাছ ৯৫০ টাকা, চিংড়ি মাঝারি ৭৫০ ও ছোটটা ৪০০ টাকা, তেলাপোয়া ২০০ টাকা ও লইট্রা মাছ ১২০ টাকায় বিক্রি হলেও কোরবানের ওই সময়টাতে এসব মাছের ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কম ছিল বলে দোকানদাররা জানিয়েছেন।

ক্রেতাদের মধ্যে একজন অভিযোগ করে বলেন, ‘চাহিদা কম বা বাড়ার সঙ্গে দামের আসলে সম্পর্ক না। অসাধু কিছু ব্যবসায়ীর কারণে দামের এরকম সারাবছর হেরফের থাকে। এই জন্য সরকারের বাজার মনিটরিং প্রয়োজন।’

মন্তব্য করুন

comments