কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারনে কথা মত কাজ করেছে চসিক

31
শেয়ার

ঈদের এক দিন আগে পা পিছলে মাটিতে পড়ে কোমরে মারাত্মক চোট পেলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন তার কাজ ঠিকই করে দেখিয়েছেন।চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) কোরবানির বর্জ্য অপসারণে দেওয়া কথা রক্ষা করেছে। কোরবানির দিন বিকাল পাঁচটার মধ্যে নগরের সব বর্জ্য অপসারণ করেছে।নগরীর সড়ক, অলি-গলিত, বাসার সামনে পশুর বর্জ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

চোটের কারনে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি মেয়র নাছির।কিন্তু ঈদের ১৫ দিন আগে থেকেই মেয়র কোরবানির বর্জ্য অপসারণের যে চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেছিলেন তা তিনি অত্যন্ত সফল ভাবেই সম্পন্ন করেছেন।তারই ফলশ্রুতিতে এবারের কোরবানির ঈদে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হয়। চসিকের এ সফলতর কারণে মেয়র পরিচ্ছন্ন কর্মী ও চসিক কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এদিকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন চসিকের সাধারণ নাগরিকরা।

বর্জ্য অপসারণে ব্যবহার করা হয়েছে ২৫০টি গাড়ি, ছিল ৪ হাজার পরিচ্ছন্নকর্মী। নগরের রাস্তা ও অলিগলিতে পশ জবাইয়ের বর্জ্য অপসারণ শেষে দেওয়া হয়েছে ব্লিচিং পাউডার। চসিক ৩৬১ স্থানে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য নির্ধারণ করে দিলেও এতে সাড়া ছিল না নগরবাসির। প্রায় সকলেই নিজ নিজ বাসার পাশেই পশু জবাই করেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকাল ৫টার মধ্যে নগরীর সবকটি এলাকা একেবারে পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত আন্দরকিল্লা, চকবাজার, চন্দনপুরা, কাজীর দেউড়ি, দুই নম্বর গেট, মুরাদপুর, খুলশীসহ কয়েকটি স্থানে ঘুরে দেখা যায় ওই সব এলাকায় কোথাও কোরবানির পশুর বর্জ্য নেই। নগরীর হালিশহর আই ব্লক এলাকায় ২টার দিকেই বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হয়। এছাড়াও নগরীর চান্দগাঁও, বাকলিয়া, কালা মিয়া বাজার, রাহাত্তাপুল, খাজ রোড, লালখান বাজার, আগ্রবাদ আবাসিক এলাকা, পতেঙ্গাসহ বেশির ভাগ এলাকায় ৩-৪টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হয়।

বর্জ্য অপসারণ নিয়ে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম বিকেল ৫টার মধ্যে পুরো নগরে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করব। ইনশাআল্লাহ তারও আগে আমরা প্রায় সব জায়গার বর্জ্য অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছি। দুর্ভাগ্যের বিষয়, বাসায় পড়ে গিয়ে পায়ে ও কোমরে আঘাত পাওয়া সত্ত্বেও আমি মোবাইলে সার্বক্ষণিক তদারকি করেছি।

তিনি আরো বলেন, আমাকে সম্পূর্ণভাবে বেড রেস্টে থাকতে হবে ২১ দিন। তাই পুরো শহরটা প্রদক্ষিণ করার কথা থাকলেও পারিনি। আমি না পারলেও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা এবং পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে একাধিকবার সভা করেছি বাসায় ডেকে এনে।

মন্তব্য করুন

comments