ঈদের ২য় বিকেলে পর্যটকে ভরপুর চট্টগ্রামের নেভাল বীচ

93
শেয়ার

ঈদের ২য় দিনে বিকেলে কোরবানি নিয়ে ব্যস্ততা শেষে অনেকেই খানিকটা বিনোদনের আশায় ছুটে এসেছেন সাগর পাড়ে। বিকেল থেকে পতেঙ্গা সৈকত ও নেভাল এভিনিউ জুড়ে ছিলো বিনোদন পিয়াসিদের পদচারণায় মুখর। কেউ পরিবার পরিজন নিয়ে এসেছেন। আবার কেউ বন্ধু-বান্ধব অথবা ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে এসেছেন।তবে তরুণ তরুণীর সংখ্যাই বেশি। সাগরের নির্জনতা আর বিশালতায় তারা বুক ভরে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। আর খুঁজে ফিরছেন প্রাণোদ্দম।

কেউ কেউ জমিয়ে আড্ডা মারছেন সাগর ঘেঁষা দেয়ালে বসে।আবার অনেকে আড্ডায় মশগুল না থেকে কেউ ছুটে যাচ্ছেন সাগরের কাছে। সেলফি তুলে, জলকেলিতে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন।

তখন বিকেল ৫টা। নগরীর সুগন্ধা থেকে ছুটি উপভোগ করতে নেভালে এসেছেন পাঁচ বন্ধু ডাঃ হাসানুল বান্না,রাসিব খান, নওশাদ,ডাঃ আমজাদ এবং মিজানুর রহমান।
তাদের মধ্যে একজন ডাঃ হাসানুল বান্না বলেন, “সমুদ্রের বিশালতা মুগ্ধ করে আমাকে, তাই সময় পেলে ছুটে আসি এখানে , কখনো পরিবার নিয়ে কখনোবা বন্ধুদের নিয়ে”।
রাসিব খান বলেন ” সারাদিনের ক্লান্তি সব মুছে ধুয়ে চলে যায় এখানে এলে, তাই আসি এখানে”।

এখানকার সুযোগ সুবিধা কেমন তা জানতে চাইলে মিজানুর রহমান বলেন,”নিরাপত্তা আগের চাইতে এখন অনেক উন্নত। তবে শৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকলে পর্যটকদের জন্য ভাল হতো”।

এখানে কি খেতে বেশি ভালো লাগে জিজ্ঞাসা করা হলে ডাঃ আমজাদ বলেন,” এখানকার পেয়াঁজুটা দারুন স্বাদের হয়।বেশিরভাগ সময় পেয়াঁজুই খাই ,তবে মাঝে মধ্যে কাকঁড়া খেতেও ভালো লাগে”।

কর্ণফুলী আর বঙ্গোপসাগরের মোহনা চট্টগ্রামে নেভাল বীচ নামে পরিচিত। নদী আর সাগর এখানে একাকার হয়ে মিশে যায়। চট্টগ্রাম আন্তার্জাতিক বিমান বন্দরের সামনে এই স্পটটি চট্টগ্রামবাসীদের কাছে অনেক আগে থেকেই জনপ্রিয়। জাহাজ আর ওপারের শিল্প-কারখানার আলোতে সন্ধ্যায় আরো মায়াবী হয়ে উঠে নেভাল এলাকা।

রাতের বেলা নেভাল একাডেমী সংলগ্ন কর্ণফুলী পাড়ের নেভাল বীচ থেকে কর্ণফুলী এবং বঙ্গোপসাগরের মিলন কেন্দ্র মোহনার সৌন্দর্য উপভোগের মজাই আলাদা। মধ্যরাত পর্যন্ত পর্যটকের কোলাহলে মুখরিত থাকে নেভাল বীচ।

মন্তব্য করুন

comments