শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

62
শেয়ার

ঈদের আর মাত্র দু’দিন বাকি। নগরীতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।

চট্টগ্রামে মোট ৭টি পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে ২টি স্থায়ী গরুর বাজার, ৪টি অস্থায়ী গরুর বাজার এবং ১টি অস্থায়ী ছাগলের বাজার রয়েছে।

পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকা এলাকায় সাগরিকা গরু বাজার বসেছে। এটি স্থায়ী হাট। পাঁচলাইশ থানায় বরাবরের মতো স্থায়ী হাট বসেছে বিবির হাটে।

বাকলিয়া থানাধীন নুর নগর হাউজিং সোসাইটি মাঠ এলাকায় কর্ণফুলী পশু বাজার নামে অস্থায়ী বাজার বসেছে।

সল্টগোলা রেল ক্রসিংয়ে অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে এটি ইপিজেড থানাধীন সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় অবস্থিত।

ইপিজেড থানাধীন স্টীল মিল এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। এই হাট স্টীল মিল পশুর হাট নামে পরিচিত।

পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসেছে আরেকটি হাট। এছাড়া পোস্তার পাড় স্কুল মাঠে অস্থায়ী ছাগলের বাজার বসেছে।

সরেজিমেন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভারতীয় গরুর চেয়ে দেশি জাতের গরু বেশি উঠেছে। কোরবানিদাতাদের কাছে দেশীয় জাতের গরুর চাহিদাও বেশি। কোরবানির পশুর হাটে এখনো ট্রাকে ট্রাকে পশু আসছে।

গবাদিপশু ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা সওদাগর জানান, বিবিরহাটে গত বছর ৩০ হাজার কোরবানির গরু উঠেছিল। এবার ভারত ও মিয়ানমার থেকে গরু আসায় ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সাগরিকা বাজারে ৭০ হাজারেরও বেশি গরু আনা হয়েছে।

এসব হাটের বাইরেও নগরীর বিভিন্ন স্থানে খুচরা বিক্রেতারা গরু ও ছাগল বিক্রি করছে। বেশ কয়েকটি খামার থেকেও গরু ও ছাগল বিক্রি হচ্ছে। অনেকে শহরের বাইরের বাজার থেকে গরু কিনে আনছেন। শেষ মুহূর্তে হাটগুলো ভীষণ জমে উঠেছে।

মন্তব্য করুন

comments